বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে কী বদল আসছে? ‘অস্বস্তির’ ইস্যুতে স্পষ্ট বার্তা ঢাকার

তানিয়া আক্তার ফারজানা তানিয়া আক্তার ফারজানা
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫ am
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে কী বদল আসছে? ‘অস্বস্তির’ ইস্যুতে স্পষ্ট বার্তা ঢাকার

টঙ্গী, গাজীপুর প্রতিনিধি-

তানিয়া আক্তার ফারজানা

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বিদ্যমান কিছু ‘অস্বস্তিকর’ বা জটিল বিষয় দ্রুত সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো ভারতের আমন্ত্রণপত্র বর্তমানে সরকার পর্যালোচনা করছে। বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সার্বভৌম সমতা এবং উভয় দেশের জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায়। তবে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কিছু অমীমাংসিত ও সংবেদনশীল বিষয়ে ইতিবাচক সমাধানে পৌঁছানো প্রয়োজন।তিনি বলেন, "আমরা কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে আলোচনা করিনি। তবে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কিছু অস্বস্তিকর বিষয় রয়েছে। বিষয়গুলো তিনি যেমন জানেন, আমিও জানি। এগুলোর সমাধান হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

বিশ্লেষকদের মতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গ এবং সীমান্তে কথিত ‘পুশ-ব্যাক’ ইস্যুর দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট আলোচনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য পাঠানো আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। সময়মতো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরের পরিবর্তে চীন সফরকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন করে গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক আস্থার মতো বিষয়গুলোতে সমঝোতা বাড়াতে পারলে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। তাই বিদ্যমান জটিলতা দূর করে নতুন আস্থার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে উভয় দেশ।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!