সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

পঞ্চগড়ে একটি বিদ্যালয়ের ১১টি ফ্যান চুরি

নিতিশ চন্দ্র বর্মন
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ pm
৮
পঞ্চগড়ে একটি বিদ্যালয়ের ১১টি ফ্যান চুরি

পঞ্চগড়ে একটি বিদ্যালয়ের ১১টি ফ্যান চুরি

নিতিশ চন্দ্র বর্মন

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় রাতের আধাঁরে বিদ্যালয়ের তালা ভেঙ্গে ১১ টি ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসময় চোরেরা বিদ্যালয়ের একটি সাউন্ড সিস্টেম ও সততা স্টোরের কিছু টাকা নিয়ে গেছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের বুড়িরবান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

তবে চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি স্ক্রু ড্রাইভার রেখে গেছে চোরেরা। রবিবার দুপুরে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ অনেকটা এলোমেলো অবস্থায় দেখা গেছে। চুরির সময় বিদ্যালয়ের টেবিল ব্যবহার করায় তাতে জুতার স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। তবে বিদ্যালয়ের কাঠের আলমারিতে রাখা ল্যাপটপ ও একটি প্রজেক্টরের সরঞ্জাম অক্ষত আছে বলে জানা গেছে।

তবে বিদ্যালয়ে এমন চুরির ঘটনায় স্তম্ভিত অভিভাবক সহ স্থানীয়রা। তবে বিদ্যালয়ের মুল ক্যাচিগেট অক্ষত রেখেই চোরেরা বিদ্যালয়ের বারান্দার গ্রিল ব্যবহার করে দোতলায় উঠেছে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, সকালে তারা বিদ্যালয়ে নিজ নিজ কক্ষে প্রবেশ করে ফ্যানের সুইচ দিতেই দেখে ফ্যান ঘোরে না। পরে উপরে তাকাতেই দেখে রুমে কোন ফ্যান নেই। দিনের বেলা প্রচন্ড গরমে ক্লাস করতে প্রচুর কষ্ট হচ্ছে বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

রমেন চন্দ্র রায় নামে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রের বাবা বলেন, সকালে ছেলেকে বিদ্যালয়ে দিতে এসে শুনি ফ্যান নাকি ১১টি চুরি হয়েছে। আসলে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমরা এর সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।

বুড়িরবান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশীদ বলেন, আমরা প্রতিদিনের মত আজকেও সকালে এসে বিদ্যালয়ের তালা খুলি। পরে অফিসরুম এলোমেলো দেখতে পাই। টেবিলে জুতার ছাপ দেখি। উপরে তাকাতেই দেখি চারটি ফ্যান নেই। পরে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর রুমেও গিয়ে দেখি আরো ৭টি ফ্যান নেই। রাতের বেলা কে বা কাহারা বিদ্যালয়ের তালা ভেঙ্গে ফ্যানগুলো নিয়ে গেছে। তবে তারা বিদ্যালয়ের একটি সাউন্ড

সিস্টেম ও সততা স্টোরে রাখা কিছু টাকা নিয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, আমরাতো ছুঁটির পরে চলে যাই কিন্তু শুনতেছি স্থানীয়দের কাছে কিছুদিন ধরে সন্ধ্যার পরে লোকজন নাকি এখানে আড্ডা দিচ্ছে। মাদক সেবন করছে। হয়তো তারাই এসব করছে। আমরা এখনো কোন অভিযোগ দেইনি থানায়। তবে আমাদের সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়েছি বিষয়টি।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনো কোন অভিযোগ করে নি। অভিযোগ করলে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!