বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা (বাসাস)-এর নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ:
বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান
মোহাম্মদ রমজান, কক্সবাজার।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত (Govt. Reg. SL: 7369, IV-01/24) ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা’ (বাসাস)-
এর নাম ও লোগো ভাঙিয়ে একটি অবৈধ চক্র সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মূল সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত ও ব্ল্যাকমেইল করার মাধ্যমে চক্রটি বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত মূল সংগঠনের আদলে হুবহু একই নাম এবং লোগো ব্যবহার করে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এই ভুঁইফোড় চক্রটি গড়ে তুলেছে। চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষকে ‘সাংবাদিক বানানোর’ প্রলোভন দেখাচ্ছে। একই সাথে ভুয়া পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ও পদ-পদবি বিতরণ করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ফলে মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষ এই ফাঁদে পড়ে প্রতিনিয়ত প্রতারিত ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই চক্রটির কোনো বৈধ নিবন্ধন বা সরকারি অনুমোদন নেই। তারা কেবল ‘বাসাস’ নামের দীর্ঘদিনের সুনামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড লাগিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে যাচ্ছে। এই বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন মূল সংগঠনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা (বাসাস)-এর অতিরিক্ত মহাসচিব মোঃ রমজান আলী এক বিবৃতিতে জানান, এই অবৈধ চক্রের সাথে মূল সংগঠনের কোনো ধরনের সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই। বাসাস একটি সুনির্দিষ্ট আদর্শ এবং সরকারি নিয়মনীতি মেনে পরিচালিত ঐতিহ্যবাহী সংগঠন।
তিনি সর্বসাধারণকে এই প্রতারক ও ভুঁইফোড় চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে ‘বাসাস’ সংক্রান্ত যেকোনো আর্থিক লেনদেন, আইডি কার্ড গ্রহণ বা সদস্যপদ নেওয়ার আগে কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠনের নাম ও লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারকারী চক্রের মূল হোতাদের ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভুঁইফোড় চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুতই দেশের প্রচলিত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
