বরের বাড়িতে ৯ মসজিদ থেকে আনা হয়েছে খা*টিয়া
শেহালাবুনিয়ায় পৌঁছালে সেখানে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, কনেসহ চারজনের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে খুলনার কয়রা উপজেলায়।
গত বুধবার খুলনার কয়রা উপজেলার নাকসা গ্রামের আবদুস সালাম মোড়লের মেয়ে মার্জিয়া আক্তার মিতুর সাথে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে আহাদুর রহমান সাব্বিরের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কনের বাড়ি থেকে মাইক্রোবাস যোগে বরযাত্রীরা মোংলার উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রামপালের বেলাইবিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা নৌবাহিনীর একটি বাসের সাথে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বর-কনে ও চালকসহ ১৪ জন প্রাণ হারান। বর্তমানে একজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতরা হলেন— বর আহাদুর রহমান, তার বাবা আবদুর রাজ্জাক, ভাই আবদুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, ভাগনে সামিউল ইসলাম ফাহিম, ভাবি ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, ভাতিজা আলিফ, আরফা ও ইরাম। এছাড়া কনে মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম, নানি আনোয়ার বেগম এবং মাইক্রোবাস চালক নাঈম দুর্ঘটনায় মারা যান।
শুক্রবার সকালে মোংলার শেহলাবুনিয়ায় বরের বাড়িতে গিয়
