অনলাইন : ১৫ জুলাই, ২০২৬
কিছু ম্যাচ থাকে, যার গল্প পরিসংখ্যানের খাতায় নয়, লেখা থাকে মানুষের স্মৃতিতে। পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা দেখায়, স্মৃতিতে বেঁচে থাকে ইতিহাস। আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ, ১৯৮৬ সালের সেই আজতেকার বিকেল, ‘হ্যান্ড অব গড’, শতাব্দীর সেরা গোল আর বেকহাম-সিমিওনের দ্বন্দ্ব। সেই সুখস্মৃতি মনে রাখতেই যেন আর্জেন্টিনার আরজি, নীল জার্সি পরতে দিতে হবে তাদের।
সেমিফাইনালে ওঠার পরই ফিফার কাছে নীল জার্সি পরে খেলার অনুমতি নিয়েছে তারা। যে রঙের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ’৮৬–এর ম্যারাডোনার সেই দুই গোল। একটিতে ‘ঈশ্বরের হাত’, আরেকটি পায়ের অলৌকিক এক কারুকার্য। এক যুগ পর ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে একই জার্সিতে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড।
নিয়ম অনুযায়ী, সেমিতে আগে ওঠায় ম্যাচে ইংল্যান্ডের পোশাকি নাম টিম ‘এ’। আর টিম ‘এ’ জার্সি বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়। ইংল্যান্ড নিজেদের জন্য সাদা জার্সি বেছে নিলে টিম ‘বি’ হিসেবে আর্জেন্টিনাকে ‘অ্যাওয়ে’ মানে নীল জার্সিতে খেলতে হতো। আর ইংল্যান্ড যদি অ্যাওয়ে, অর্থাৎ লাল জার্সি বেছে নিত, তবে আর্জেন্টিনাকে সাদা-আকাশি জার্সি পরে খেলতে হতো।
অবশ্য এত কিছু করার প্রয়োজনও তেমন ছিল না। কারণ, টিম ‘এ’ হিসেবে ইংল্যান্ড নিজেদের হোম জার্সি, অর্থাৎ সাদা জার্সিই বেছে নিয়েছে। সঙ্গে সাদা শর্টস আর সাদা মোজা। যে কারণে আর্জেন্টিনার জন্য নীল জার্সি, নীল শর্টস আর নীল মোজাই পড়েছে।
