কসবা উপজেলা প্রতিনিধি
বিএনপির সম্ভাব্য মন্ত্রিপরিষদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা-আখাউড়া এলাকা থেকে একজন টেকনোক্রেট মন্ত্রী দেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দলের দুঃসময়ের নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়াকে এই পদে দেখতে চান তারা।
স্থানীয় নেতাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ২০০৭–২০০৮ সালের রাজনৈতিক সংকটের পর বিএনপির ঐক্য ধরে রাখতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন বলে নেতাকর্মীরা উল্লেখ করেন।
গত জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে এলাকায় ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়। কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, তাঁতি দল ও জাসাসসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। তবে শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে কবীর আহমেদ ভূঁইয়া কসবা-আখাউড়ায় একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত।
কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফখরুদ্দিন আহমেদ খান বলেন, “দলের কঠিন সময়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাহস জুগিয়েছেন নিবেদিতপ্রাণ নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। তিনি বিএনপির তৃণমূল সংগঠনকে নতুন করে উজ্জীবিত করছেন। নেতাকর্মীরা তাকে ভালোবেসে ‘দুর্দিনের কাণ্ডারী’ বলে ডাকেন।”
তিনি আরও জানান, প্রায় ১৭ বছর ধরে কোনো আনুষ্ঠানিক পদ-পদবি ছাড়াই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১৪টি সাংগঠনিক ইউনিটে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে সুসংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করছেন তিনি।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের আশা, দলের ত্যাগী এই নেতাকে মূল্যায়ন করে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
