বাসন থানার বিশেষ অভিযানে অস্ত্র, মাদক ও দস্যুতা মামলার ৬ আসামি গ্রেফতার
মোঃ ফরিদ হোসেন গাজীপুর
গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র, মাদক, দস্যুতা ও গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্তসহ মোট ৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার (০৬ মার্চ ২০২৬) তারিখে পরিচালিত এ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অস্ত্র মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে মোঃ সৌরভ (২০) ও মোঃ মাসুদ (৩১) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। সৌরভের পিতা মোঃ সবুজ হাওলাদার ও মাতা মোসাঃ সুমি বেগম। তার স্থায়ী ঠিকানা বরিশাল জেলার মুলাদী থানার কাজীরচর গ্রামে। বর্তমানে তিনি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ী লিচু বাগান এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। অপরদিকে মাসুদ (৩১) বরিশাল জেলার হিজলা থানার গঙ্গাপুর এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মৃত গোলাম মোস্তফা ও মাতা মোসাঃ মরিয়ম বেগম। বর্তমানে তিনি বাসন থানার নাওজোড় এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
এছাড়া মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে মোসাঃ কুলসুম আক্তার (২৬) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার পিতা মোঃ মোসলেম মিয়া ও মাতা মোসাঃ জোসনা। তার স্থায়ী ঠিকানা কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার আমভদ্রপুর গ্রামে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের নাওজোড় ব্রীজের নিচে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন।
দস্যুতা মামলার তদন্তে জড়িত সন্দেহে খায়রুল ইসলাম (২২) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার বিষ্ণুপুর এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মৃত সাদেক মিয়া ও মাতা মোসাঃ মোমেনা খাতুন। পুলিশ জানায়, তিনি এনসিপি নেতা হাবিবকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার মূল আসামি।
এছাড়া জিআর গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে মোঃ সাব্বির হোসেন (২৮) ও ধন মিয়া (৪০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাব্বির হোসেনের পিতা মৃত শাহাদাত হোসেন। তার স্থায়ী ঠিকানা টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার এলাসিন এলাকায় হলেও বর্তমানে তিনি গাজীপুরের ভোগড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। অপরদিকে ধন মিয়ার পিতা মরতুজ আলী। তার স্থায়ী ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার কাচারী পুকুর পাড় এলাকায়। বর্তমানে তিনি বাসন সড়কের ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মোল্লার বস্তিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
বাসন থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
