মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

শ্রমিকদের দাবি আদায়ের আশ্বাস সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের।

নুরুল ইসলাম নাহিদ
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ pm
১২
শ্রমিকদের দাবি আদায়ের আশ্বাস সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের।
রাজপথে।

প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম নাহিদ কালিয়াকৈর গাজীপুর।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের সংঘর্ষের পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যান। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান। তাঁরা ঘটনাস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে মহাসড়কে যান চলাচল সচল রাখা ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার নিয়ে সরকার কাজ করছে। তবে কোনো অবস্থাতেই শিল্পকারখানা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা সড়ক অবরোধ করে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে ফেলা যাবে না। তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য ভালো খবরই আসছে। আপনারা ধৈর্য ধরুন ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন।”

কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি শিল্পকারখানা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি শ্রমিকদের শান্ত থাকার এবং কোনো ধরনের সহিংসতায় না জড়ানোর আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। শ্রমিকদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন।

শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী, পরিবহনচালক ও সাধারণ মানুষ। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরাও বিপাকে পড়েন।

এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মহাসড়কে যান চলাচল সচল করা এবং জনদুর্ভোগ কমাতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঘটনাস্থলে উপস্থিতির পর মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শ্রমিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!