মোঃ ফরিদ হোসেন গাজীপুর প্রতিনিধি
ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ; দুই ভাই আইসিইউতে ভর্তি, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান
গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন তিন ভাইয়ের ওপর ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিন ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ফুলদী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মো. মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই শরীফ পাঠান এবং রুহুল পাঠান। এ ঘটনায় মোস্তফা পাঠান বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা পাঠানের বাবার মৃত্যুর পর থেকে তাঁর আপন চাচা নাজিম উদ্দিন পাঠান এবং চাচাতো ভাইদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার সকালে মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই বাড়ির পূর্ব পাশে আতাব উদ্দিনের বাড়ির উঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজিম উদ্দিন পাঠানের নির্দেশে নাজমুল ও সোহেলসহ অভিযুক্তরা ধারালো ছেন, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা মোস্তফা পাঠানের বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুল কেটে গুরুতর জখম করেন। এ ছাড়া ছোট ভাই শরীফ পাঠানের ডান কাঁধ ও ডান গালে এবং রুহুল পাঠানের বাম বাহুতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। এতে তিন ভাই রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে নাজমুল পাঠান ওরফে বাবলু, সোহেল পাঠান, নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী হাজেরা বেগম, বাবলুর স্ত্রী শান্তা বেগম এবং সোহেল পাঠানের স্ত্রী মুক্তি বেগমসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
পরে আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁদের সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরিবারের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্তরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে কৌশলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ করিম খান বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে, সোমবার সকালে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে।
ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ; দুই ভাই আইসিইউতে ভর্তি, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান
মোঃ ফরিদ হোসেন গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন তিন ভাইয়ের ওপর ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিন ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ফুলদী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মো. মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই শরীফ পাঠান এবং রুহুল পাঠান। এ ঘটনায় মোস্তফা পাঠান বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা পাঠানের বাবার মৃত্যুর পর থেকে তাঁর আপন চাচা নাজিম উদ্দিন পাঠান এবং চাচাতো ভাইদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার সকালে মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই বাড়ির পূর্ব পাশে আতাব উদ্দিনের বাড়ির উঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজিম উদ্দিন পাঠানের নির্দেশে নাজমুল ও সোহেলসহ অভিযুক্তরা ধারালো ছেন, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা মোস্তফা পাঠানের বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুল কেটে গুরুতর জখম করেন। এ ছাড়া ছোট ভাই শরীফ পাঠানের ডান কাঁধ ও ডান গালে এবং রুহুল পাঠানের বাম বাহুতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। এতে তিন ভাই রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে নাজমুল পাঠান ওরফে বাবলু, সোহেল পাঠান, নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী হাজেরা বেগম, বাবলুর স্ত্রী শান্তা বেগম এবং সোহেল পাঠানের স্ত্রী মুক্তি বেগমসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
পরে আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁদের সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরিবারের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্তরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে কৌশলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ করিম খান বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে, সোমবার সকালে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে।
ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ; দুই ভাই আইসিইউতে ভর্তি, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান
কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে ৩ ভাইকে কুপিয়ে জখম, ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ; দুই ভাই আইসিইউতে ভর্তি, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান
মোঃ ফরিদ হোসেন গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন তিন ভাইয়ের ওপর ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিন ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ফুলদী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মো. মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই শরীফ পাঠান এবং রুহুল পাঠান। এ ঘটনায় মোস্তফা পাঠান বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা পাঠানের বাবার মৃত্যুর পর থেকে তাঁর আপন চাচা নাজিম উদ্দিন পাঠান এবং চাচাতো ভাইদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার সকালে মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই বাড়ির পূর্ব পাশে আতাব উদ্দিনের বাড়ির উঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজিম উদ্দিন পাঠানের নির্দেশে নাজমুল ও সোহেলসহ অভিযুক্তরা ধারালো ছেন, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা মোস্তফা পাঠানের বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুল কেটে গুরুতর জখম করেন। এ ছাড়া ছোট ভাই শরীফ পাঠানের ডান কাঁধ ও ডান গালে এবং রুহুল পাঠানের বাম বাহুতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। এতে তিন ভাই রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে নাজমুল পাঠান ওরফে বাবলু, সোহেল পাঠান, নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী হাজেরা বেগম, বাবলুর স্ত্রী শান্তা বেগম এবং সোহেল পাঠানের স্ত্রী মুক্তি বেগমসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
পরে আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁদের সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরিবারের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্তরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে কৌশলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ করিম খান বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে, সোমবার সকালে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন তিন ভাইয়ের ওপর ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিন ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ফুলদী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মো. মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই শরীফ পাঠান এবং রুহুল পাঠান। এ ঘটনায় মোস্তফা পাঠান বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা পাঠানের বাবার মৃত্যুর পর থেকে তাঁর আপন চাচা নাজিম উদ্দিন পাঠান এবং চাচাতো ভাইদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার সকালে মোস্তফা পাঠান ও তাঁর দুই ভাই বাড়ির পূর্ব পাশে আতাব উদ্দিনের বাড়ির উঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাজিম উদ্দিন পাঠানের নির্দেশে নাজমুল ও সোহেলসহ অভিযুক্তরা ধারালো ছেন, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা মোস্তফা পাঠানের বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুল কেটে গুরুতর জখম করেন। এ ছাড়া ছোট ভাই শরীফ পাঠানের ডান কাঁধ ও ডান গালে এবং রুহুল পাঠানের বাম বাহুতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। এতে তিন ভাই রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে নাজমুল পাঠান ওরফে বাবলু, সোহেল পাঠান, নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী হাজেরা বেগম, বাবলুর স্ত্রী শান্তা বেগম এবং সোহেল পাঠানের স্ত্রী মুক্তি বেগমসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
পরে আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে শরীফ ও রুহুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁদের সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরিবারের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্তরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে কৌশলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ করিম খান বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে, সোমবার সকালে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে।