মোঃ ফরিদ হোসেন, গাজীপুর পতিনিধি
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জিএমপি অধ্যাদেশের মামলায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে বাসন থানা পুলিশ। বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ রুমান মিয়া (৩৭) ও মোসাঃ বাবলী আক্তার (১৯)। তাঁরা দুজনই গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানাধীন মোগরখাল এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়
গ্রেফতারকৃত মোঃ রুমান মিয়া (৩৭) কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানাধীন দেউপুর, কাজলা হাটি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মৃত হাতেম আলী এবং মাতার নাম মোসাঃ গুল বাহার। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানাধীন মোগরখাল এলাকায় সৈকত নামের এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
অপর গ্রেফতারকৃত মোসাঃ বাবলী আক্তার (১৯) কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানাধীন ইটনা পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মৃত মজনু মিয়া এবং মাতার নাম মৃত সামসুন্নাহার। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানাধীন মোগরখাল এলাকায় স্থানীয়ভাবে ‘পাগলির বাসা’ নামে পরিচিত একটি বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার
পুলিশের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাসন থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জিএমপি অধ্যাদেশের মামলায় উল্লেখিত দুইজনকে গ্রেফতার করে। অভিযান শেষে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়।
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানসংক্রান্ত এ তথ্য স্থানীয়ভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলার সুনির্দিষ্ট ধারা, অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ এবং অভিযানের অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
আইনগত প্রক্রিয়া চলমান
পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত দুইজনকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যক্তিই নির্দোষ বলে গণ্য হওয়ার অধিকার রাখেন।
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা পুলিশের এ অভিযানের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে মামলার বিবরণ, অভিযানের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের পরিচয় এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সংযোজনের মাধ্যমে সংবাদটি আরও পূর্ণাঙ্গ করা যাবে।