ঢাকার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পেশাদার মাদক কারবারি হিসেবে উল্লেখ করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে আশুলিয়া থানার চাড়ালপাড়া ও বিকুমপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে আশুলিয়া থানাধীন দক্ষিণ বাইপাইলের চাড়ালপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)। ডিবির উত্তর বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল মুত্তালিবসহ পুলিশের একটি দল।
অভিযানকালে ওই এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন—রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মো. মানিক (৪০), মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার মো. ফারুক (৩২), আশুলিয়ার দক্ষিণ বাইপাইলের চাড়ালপাড়া এলাকার মোসা. আমেনা খাতুন (৪২) এবং নীলফামারী সদর উপজেলার বাসিন্দা মোসা. রিমু আক্তার (২৩)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে ৩৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ট্যাবলেটগুলোর মোট ওজন ১১১ গ্রাম। এসব ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই রাতে আশুলিয়া থানাধীন বিকুমপুর এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ। রাত ৮টা ৩০ মিনিটের দিকে এসআই মো. রাশেদ মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল অভিযান চালিয়ে লেহাজ উদ্দীন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, লেহাজ উদ্দীন বিকুমপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানের সময় তাঁর কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুটি অভিযানে সব মিলিয়ে ৩৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ৭০ হাজার ৫০০ টাকা।
ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।