বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

সারিয়াকান্দিতে মণ্ডপের বাস্তবতা দেখতে সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বিভিন্ন মন্দিরে রেন্টু

মোঃ রাশেদ মিয়া
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ pm
৬৫
সারিয়াকান্দিতে মণ্ডপের বাস্তবতা দেখতে সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বিভিন্ন মন্দিরে রেন্টু
নারচীর নেউরগাছা সার্বজনীন মন্দিরে বক্তব্য রাখছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু

উৎসবের আয়োজন কতটা প্রস্তুত, নিরাপত্তা নিশ্চিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, আর পূজা উদ্‌যাপনে আয়োজকদের অভিজ্ঞতাই বা কেমন—এসব বিষয়ে সরাসরি জানতে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে সাতটি পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে নারচী ও ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দির ঘুরে তিনি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় উৎসবের পরিবেশ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় এ পরিদর্শন করেন রেন্টু। দুর্গোৎসবকে ঘিরে মণ্ডপগুলোতে প্রস্তুতির অগ্রগতি দেখা এবং আয়োজকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মধ্য দিয়ে উৎসবের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা নেন তিনি।

পরিদর্শনকালে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেন তিনি। পূজার আয়োজন, ভক্তদের উপস্থিতি, যাতায়াতের পরিবেশ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা শোনেন। উৎসব চলাকালে যেন ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে আয়োজকদের প্রস্তুতি ও স্থানীয় পরিস্থিতির খোঁজ নেন তিনি। দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু বলেন, ধর্মীয় উৎসবের প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই প্রকাশ পায়, যখন সব সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ ও স্বস্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজেদের ধর্মীয় আচার পালন করতে পারেন। দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পূজা উদ্‌যাপন কমিটি, স্থানীয় জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, উৎসবকে ঘিরে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও আস্থার সম্পর্ক জোরদার হওয়া জরুরি। ধর্মীয় পরিচয় যেন মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্যে বিভাজন তৈরি না করে; বরং ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।

মন্দিরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও এ সময় পূজার আয়োজন ও সরকারি সহায়তা নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তাঁদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি উৎসবের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন রেন্টু। এ ধরনের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে আয়োজকদের পরিস্থিতি বোঝা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণের সুযোগ তৈরি হয়।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাহাজাত হোসেন পল্টন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিদুল ইসলাম মুন্সি, যুগ্ম আহ্বায়ক তারাজুল ইসলাম ফনি এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!