কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের করাতকান্দী গ্রামের দুটি চাষের পুকুর থেকে রাতের আঁধারে মাছ চুরির অভিযোগ উঠেছে শহীদ নামের ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পুকুর দুটি থেকে আনুমানিক চার লাখ টাকার মাছ চুরির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সিপন আলী।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শহীদ বলেন, তার জলাশয়ের মাছ কৌশলে সিপন আলী পুকুরে নিয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী সিপন আলী জানান, করাতকান্দি বিলে তাদের দুই বিঘা জমি রয়েছে। বছরের অধিকাংশ সময় জমিতে পানি থাকায় সেখানে তেমন ফসল আবাদ করা যায় না। তবে পানি সরে গেলে একবার ধান চাষ করা সম্ভব হয়। তার জমিসহ মাঠের একটি বড় অংশ লিজ নিয়ে স্থানীয় শহীদ মাছ চাষ করছেন।
তিনি বলেন, তার সম্পত্তি ঘিরে দিতে গেলে শহীদ ও তার লোকজন বাধা দেয়। বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার জন্য বসার কথা বললেও শহীদ না বসে জোরপূর্বক মাছ চাষ করছেন।
তিনি আরও জানান, শহীদের মাছের ঘেড় সংলগ্ন তার প্রায় ১০ বিঘা জমির উপর দুটি পুকুর রয়েছে। সেখানে তিনি নিজেই মাছ চাষ করেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে তিনি পুকুরে গিয়ে দুটি পুকুরের পাড়ে জাল দিয়ে মাছ ধরার আলামত দেখতে পান।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাতের আঁধারে শহীদ ও তাঁর লোকজন পুকুর দুটি থেকে আনুমানিক ১০০ মণ মাছ ধরে নিজেদের মাছের ঘেড়ে ছেড়ে দিয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য চার লাখ টাকা। এ ঘটনায় কুমারখালী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মাছ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবি জানান তিনি।
এবিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদ বলেন, শিপন আলীর করা অভিযোগগুলো মিথ্যা, বরং তার মাছ চাষের ঘেড় থেকে শিপন আলী কৌশলে ১৫০ শত মণ মাছ তার পুকুরে নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে জানতে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।