শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

পানছড়িতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজামন্ডপ পরিদর্শন, মতবিনিময়, নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ এবং সার্বক্ষণিক টহল পরিচালনা

মোঃ হেলাল উদ্দিন
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ pm
৩১
পানছড়িতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজামন্ডপ পরিদর্শন, মতবিনিময়, নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ এবং সার্বক্ষণিক টহল পরিচালনা

পানছড়িতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজামন্ডপ পরিদর্শন, মতবিনিময়, নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ এবং সার্বক্ষণিক টহল পরিচালনা

মোঃ হেলাল উদ্দিন,পানছড়ি প্রতিনিধি‍

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন তিন বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক শান্তি, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর জনকল্যাণমুখী ভূমিকা অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে

১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ পানছড়ি উপজেলা এলাকার পূজামণ্ডপ সমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, পিপিএম (সেবা) কর্তৃক পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিত্ব এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীদের সাথে কুশল ও মতবিনিময় করেন। এ সময় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং সার্বজনীন এই উৎসব উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত। পূজাকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পূজামন্ডপ সমূহ ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ এবং সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুজাতি ও বহুধর্মীয় ঐতিহ্য বজায় রাখতে বিজিবি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, এলাকার শান্তি, সম্প্রতি ও উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি সকলকে আশ্বস্থ করেন। এছাড়াও ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পুনর্ব্যক্ত করেন যে, কেবল সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়—রাষ্ট্রীয় শান্তি রক্ষা, সুশাসন সহায়তা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সাথে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতির এই ধারাবাহিক বজায় থাকবে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!