শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

কসবায় বৃদ্ধের মৃত্যু ঘিরে রহস্য, স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে লাঠির আঘাতে হত্যার অভিযোগ,অভিযুক্তদের দাবি বিষ পানে মৃত্যু।

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া কসবা উপজেলা প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ pm
১৪
কসবায় বৃদ্ধের মৃত্যু ঘিরে রহস্য, স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে লাঠির আঘাতে হত্যার অভিযোগ,অভিযুক্তদের দাবি বিষ পানে মৃত্যু।
পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময়ে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পারিবারিক কলহের জেরে মেয়ের লাঠির আঘাতের শিকার হওয়ার পর খোরশেদ আলম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর মেয়ে রাবেয়া আক্তার (২৪) ও স্ত্রী নূরজাহান বেগমকে (৪৮) আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে কসবা উপজেলার ৯ নম্বর কাইমপুর ইউনিয়নের কাইমপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গাজী খোরশেদ আলম ওই এলাকার মৃত মুর্তজ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে রাবেয়া আক্তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়, টাকা-পয়সা ও সম্পত্তি নিয়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাবেয়া তাঁর বাবাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে বাবাকে চিকিৎসার জন্য কসবা আল-নূর প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যান মেয়ে। চিকিৎসা শেষে তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। এর কিছুক্ষণ পর খালের পাশে বসে থাকতে দেখা যায় খোরশেদ আলমকে। এ সময় তাঁর স্ত্রী নূরজাহান বেগম তাঁকে বাড়িতে আনতে গেলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থের গন্ধ পান বলে জানা গেছে।

পরে তাঁকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে কুমিল্লায় নেওয়ার পথে ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে কসবা-আখাউড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব এবং কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ ঘটনাস্থলে যান। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে রাবেয়া আক্তার ও স্ত্রী নূরজাহান বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও মৃত্যুর পেছনের বিষয়গুলো তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!