বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

ভূরুঙ্গামারীতে রাতের আঁধারে ২০ সুপারি গাছ কাটার অভিযোগ, জমি দখলের হুমকি

মোঃ আসাদুজ্জামান খোকন ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ pm
১০
ভূরুঙ্গামারীতে রাতের আঁধারে ২০ সুপারি গাছ কাটার অভিযোগ, জমি দখলের হুমকি

ভূরুঙ্গামারীতে বিরোধপূর্ণ জমিতে রাতের আঁধারে ঢুকে ২০টি ফলন্ত সুপারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন জমির মালিক মো. হেলাল উদ্দিন। এ ঘটনায় গত ৬ সেপ্টেম্বর ভূরুঙ্গামারী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

হেলাল উদ্দিনের অভিযোগ, উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাট গোপালপুর মৌজার আরএস খতিয়ান নম্বর ৩৫২-এর আরএস দাগ নম্বর ১১২৮-এ ১৬ শতাংশ জমি তিনি ১৯৯১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। পরে জমিটি তাঁর নামে নামজারি হয়। নিয়মিত খাজনা পরিশোধের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।

তবে জমিটির মালিকানা নিয়ে আব্দুল হাকীমসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ রয়েছে। হেলাল উদ্দিনের দাবি, প্রতিপক্ষ বিভিন্ন সময় জমিটি দখলের চেষ্টা করেছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে আব্দুল হাকীমের নেতৃত্বে কয়েকজন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জন ওই জমিতে প্রবেশ করেন। পরে তাঁরা ২০টি ফলন্ত সুপারি গাছ কেটে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন হেলাল উদ্দিন।

পরদিন সকালে জমিতে গিয়ে গাছগুলো কাটা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কাছে জানতে চাইলে তাঁকে গালিগালাজ এবং তাঁ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জমি দখলের হুমকি দেওয়ারও দাবি করেছেন তিনি।

অভিযোগ পাওয়ার পর ৬ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই মুনিবুর রহমান। তিনি উভয় পক্ষকে জমির মালিকানার কাগজপত্র জমা দিতে বলেছেন।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত শিপন মিয়ার স্ত্রী রাবেয়া বেগম সুপারি গাছ কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এসআই মুনিবুর রহমান বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। উভয় পক্ষকে জমির মালিকানার কাগজপত্র দিতে বলা হয়েছে। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে তদন্ত অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি মো. আজিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগের পর ঘটনাটি তদন্তের জন্য এসআই মুনিবুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগকারী হেলাল উদ্দিন জমি নিয়ে বিরোধ, গাছ কাটার অভিযোগ ও প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!