শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

সোনাইমুড়ীতে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে অপহরণ, মারধর, ভিডিও ধারণ, মুক্তিপণ দাবি

আবু বকর ছিদ্দিক
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০৯ pm
১৫
সোনাইমুড়ীতে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে অপহরণ, মারধর, ভিডিও ধারণ, মুক্তিপণ দাবি
দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে অপহরণ, মারধর, ভিডিও ধারণ, মুক্তিপণ দাবি

আবু বকর ছিদ্দিক নোয়াখালী উত্তর প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের আবির পাড়া মাধ্যমিক বিদ্যা নিকেতনের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম রিফাতকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন ও ইয়াবার ট্যাবলেট পকেটে ভরে ভিডিও ধারণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আমিশাপাড়ার আবির পাড়া মাধ্যমিক বিদ্যা নিকেতন সড়কের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন মাধ্যমিক বিদ্যা নিকেতনের শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, জাহিদুল ইসলাম রিফাতকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ভিডিও ধারণ করা হয়।

এ ঘটনায় সোনাইমুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রিফাতের বাবা খোরশেদ আলম।

শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম রিফাত অভিযোগ করে বলেন, গতকাল ১৯ আগস্ট দুপুরে স্কুল বিরতি চলাকালে দক্ষিণ আবির পাড়া গ্রামের বেপারি বাড়ির মোঃ লাতুল ও ওমর ফারুক সহ ৮- ১০ জন তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এর পরে পার্শ্ববর্তী চাটখিল থানা দিন অজ্ঞত স্থানে তাকে আটক করে ব্যাপক মারধর করা হয়। এসময় অভিযোগকারীরা রিফাতের পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ভিডিও ধারণ করে এরপরে মোবাইলে অস্ত্র দেখিয়ে সে অস্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম মামুনের বলে জোরপূর্ব স্বীকারোক্তি আদায় করে। এবং তাকে উলঙ্গ করে ভিডিও ধারণ করা হয়। অভিযোগ কারীরা শিক্ষার্থী রিফাতের বোন আইরিন সুলতানার কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা মুক্তিপণ হিসেবে আদায় করে স্থানীয় আশরাফ আহমদের মাধ্যমে রিফাতকে মুক্তি দেয় অপহরণকারীরা।

অপহরণের এই ঘটনায় আবিরপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যা নিকেতন শিক্ষার্থীরা

বলেন, একজন সহপাঠীর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কবির হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!