বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

মাওনা-নয়নপুর সড়ক যেন এক মরণফাঁদ, হাটুসমান গর্তে জনদুর্ভোগ,অবরোধ করে চালকের মানববন্ধন

মোঃ মহিন উদ্দিন
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮ pm
মাওনা-নয়নপুর সড়ক যেন এক মরণফাঁদ, হাটুসমান গর্তে জনদুর্ভোগ,অবরোধ করে চালকের মানববন্ধন

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের খানবাড়ি মোড়-মধ্যপাড়া এলাকায় মাওনা-নয়নপুর আঞ্চলিক সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। প্রায় এক থেকে দেড় বছর ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির প্রায় এক কিলোমিটার অংশ এখন পথচারী ও যানবাহন চালকদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে হাঁটুসমান বড় বড় গর্ত। বৃষ্টির পানি জমে অনেক গর্ত চোখে দেখা যায় না। ফলে মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিকশাসহ ছোট চাকার যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে চালক ও যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন দুরবস্থা থাকলেও স্থায়ী সংস্কারের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। বিশেষ করে জরুরি রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

এদিকে এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার পোশাক কারখানার শ্রমিক যাতায়াত করেন। খানাখন্দে ভরা সড়কের কারণে তাদের কর্মস্থলে পৌঁছাতে সময় যেমন বেশি লাগছে, তেমনি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকছে প্রতিনিয়ত।

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগে ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেন স্থানীয় অটোরিকশা ও সিএনজি চালকেরা। এ সময় তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান।

মানববন্ধনে চালকেরা বলেন, বছরের পর বছর সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় তাদের যানবাহনের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না হলে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, মাওনা-নয়নপুর আঞ্চলিক সড়কটি শুধু স্থানীয় যোগাযোগের পথ নয়; প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শ্রমিক, শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। তাই আর কোনো আশ্বাস নয়—দ্রুত কার্যকর সংস্কার চান এলাকাবাসী।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি দ্রুত হস্তক্ষেপে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার করে জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!