রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

তিতাস নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান, ভেঙে ফেলা হলো অবৈধ দোকান-স্থাপনা

Author
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ am
তিতাস নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান, ভেঙে ফেলা হলো অবৈধ দোকান-স্থাপনা

তিতাস নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান, ভেঙে ফেলা হলো অবৈধ দোকান-স্থাপনা

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী সিমনা সড়কসংলগ্ন এলাকায় কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সড়কের প্রবেশমুখে অবৈধভাবে যানবাহন পার্কিং করার দায়ে দুই ব্যক্তিকে মোট এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা থেকে দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে কয়েকটি অবৈধ দোকান ভেঙে ফেলা হয়। এছাড়া দখল করে নির্মিত আরও কয়েকটি দোকান ও স্থাপনার মালিকদের বৈধ কাগজপত্র ও অনুমোদন নিয়ে ভূমি অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈধতা প্রমাণে ব্যর্থ হলে সেগুলোও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছরিন আক্তার। এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, শাহরিয়ার হাসান খান ও মো. আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, সোহেল রানা ভূঁইয়া, কবি তানজিলুর রহমানসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে নদীতীরবর্তী এলাকায় কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে নির্মিত অবৈধ দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা চিহ্নিত করে অপসারণ করা হয়। তবে অভিযানের সময় অধিকাংশ দখলদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। একই সময়ে সিমনা সড়কের প্রবেশমুখে অবৈধভাবে যানবাহন পার্কিং করার দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনের ৪৬ ধারায় দুই ব্যক্তিকে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছরিন আক্তার বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষিজমি ও জলাশয় সংরক্ষণে জেলা প্রশাসন নিয়মিত কাজ করছে। তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে একাধিক অবৈধ দোকান ও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে তিন থেকে চারটি দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সড়কসংলগ্ন সব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষিজমি, নদীতীর ও জলাশয় দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!