শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

শেখ হাসিনা বার বার ফিরেছেন II এ বার মরে গেলেও তিনি ফিরবেন ?

নিউজ ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২২ pm
শেখ হাসিনা বার বার ফিরেছেন II এ বার  মরে  গেলেও তিনি  ফিরবেন ?

 
 
অনলাইন শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
শেখ হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচার হওয়ার সময় " ইন্টারনেট স্লো " করে বিএনপি ও জামায়াতের প্রাথমিক পরাজয়।
মৃত্যুভয় ও পারিবারিক ক্ষয়ক্ষতি তুচ্ছ করে শেখ হাসিনার এই সংবাদ সম্মেলনে পৃথিবী বিখ্যাত সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের উপস্থিতি বিএনপি ও জামায়াতের দ্বিতীয় পরাজয়।
👉 ১৫ টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে হামলা , শত পুলিশ হত্যা ও সরকারের লক্ষাধিক কোটি টাকার ক্ষতি জনসমক্ষে এনে শেখ হাসিনা মৌলবাদীদের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন। এটা বিএনপি ও জামায়াতের তৃতীয় পরাজয়।
শেখ হাসিনার " এমার্জিং টাইগার " বাংলাদেশকে যেভাবে গত দুই বছরে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে তা ডকুমেন্টারি আকারে দেখালে আরও বেশি ভালো হতো।
শেখ হাসিনার ছোট্ট একটা বক্তব্য আজ যেন সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে বিপ্লবের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। এই বিপ্লবের ভিসূভিয়াস দাবানল জ্বলতেই থাকব।
বাংলাদেশের আজ যে গণতান্ত্রিক ক্রাইসিস চলছে তার ইতিহাস বড় দীর্ঘ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলেন।
👉 শেখ হাসিনা তার দীর্ঘ ২১ বছরের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে জিয়া পরিবারের একজন মানুষকেও হত্যা করেননি। কিন্তু ১৫ আগষ্টের এক রাতে শেখ হাসিনা পরিবারের ১৭ জন মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
👉 শেখ হাসিনা দীর্ঘ ২১ বছরের শাসনামলে খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের কোন সদস্যের উপর বোমা ও গ্রেনেড হামলা করেননি। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতকে প্যাকেট বন্দী করে রাজনীতি করা ছাড়া শেখ হাসিনার সামনে দ্বিতীয় আর কোন পথ খোলা ছিলো না।
🔴 বাংলাদেশের রাজনীতি একদিনে ধ্বংস হয়নি। শেখ হাসিনাই প্রথম বাংলাদেশে ভোটারবিহীন নির্বাচন করেননি।১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গণতন্ত্র হত্যা করে হ্যাঁ ও না গণভোট করেছেন। ২০২৬ সালে আওয়ামীলীগ ছাড়া বিএনপি ও জামায়াত একই হ্যাঁ ও না গণভোটের ভোট ডাকাতির নির্বাচন করেছে।
এর আগে খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছেন। ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি তারেক রহমান ও জামায়াত ১ কোটি ২০ লাখ ভুয়া ভোটার করে কারচুপি নির্বাচন করতে চেয়েছে। এই জন্মগত ভোট চোরদের শিক্ষা দিতেই শেখ হাসিনা ২০১৪ ও ২০২৪ এর নির্বাচন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। কারচুপির নির্বাচন বিএনপি ও জামায়াত বাংলাদেশে শুরু করেছিলো , শেখ হাসিনা নয়।।✌️
👉 প্রধানমন্ত্রীর এই আলোচনায় বিএনপি ও জামায়াতের " বাংলাদেশের জ-ঙ্গী উত্থান " বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন ছিল। কোন পরিস্থিতিতে তাকে জঙ্গীদের বিরুদ্ধে " জিরো টলারেন্স " নীতি গ্রহণ করতে হয়েছিল তা বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করলে আরও ভালো হতো। বিশেষ করে , জুলাই হত্যা সহ ২০১৩ সালে একজন রাজাকারকে ফটো এডিটিং করে রকেট ছাড়াই চাঁদে পাঠিয়ে জামায়াতের ১০০ জন নিরীহ মানুষ হত্যা ও ২০১৩ পরবর্তী পেট্রোল বোমা সন্ত্রাসী চরিত্র সমগ্র বিশ্ববাসীর কাছে একটি ২০ মিনিটের ডকুমেন্টারির মাধ্যমে তুলে ধরা যেতো।
👉 বাংলাদেশের পুলিশকে কীভাবে জুলাইয়ে ফ্লাইওভারে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের ভেতরে যেভাবে জ-ঙ্গী উত্থান হয়েছে তার খুব সুন্দর বর্ণনা দেয়া হয়েছে এই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। বাংলাদেশ আজ জ-ঙ্গী রাজনীতির জন্য সারাবিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।অনিল নামে একটা ছেলে এত সুন্দর করে বলেছে , যা আমার কাছে ইতিহাস হয়ে থাকবে । সেই কথাটি হচ্ছে -
"How many people do you want to silence ?
We are now a nation of 170 million people."
🔴 আওয়ামীলীগের ব্যারিস্টার নওফেলের খুব সুন্দর বক্তব্য শুনলাম। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে - " আমরা প্রতিশোধ নিতে আসবো না , আমরা আসবো ন্যায়বিচার চাইতে।"
নওফেল ভবিষ্যতের আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশের কথা বলেছেন। তার এত সুন্দর বক্তব্যকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। আওয়ামীলীগ ভবিষ্যতের তরুণ প্রজন্মের সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে। নওফেল প্রতিহিংসার রাজনীতি ভুলে সুন্দর রাজনীতির পক্ষে কথা বলেছেন। বাংলাদেশকে মৌলবাদীদের হাতে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে আওয়ামীলীগ কখনোই হতে দিবে না তা নওফেলের বক্তব্য সম্পূর্ণ স্পষ্ট। একজন বিজ্ঞ দেশপ্রেমিকের পরিচয় দিয়েছেন ব্যারিস্টার নওফেল।
বিএনপি তার এই বক্তব্যে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারলে আগামীদিনে বাংলাদেশ জামায়াত মুক্ত একটি নিরাপদ ও জ-ঙ্গী মুক্ত বাংলাদেশ পাবে।
👉 এক্ষেত্রে তারেক রহমান কীভাবে বিচক্ষণতার পরিচয় দেন তাই আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে।
দুই বছর পর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য শুনছি। এই সভায় সবচেয়ে সুন্দর স্পষ্ট ইংরেজিতে বক্তব্য দিয়েছেন শেখ হাসিনার সূযোগ্য সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়। সজীব ওয়াজেদ জয় তার বক্তব্যে বাংলাদেশ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রশ্ন রেখেছেন -
👉 জাতিসংঘ নিহতের তালিকা বলছে, ১৪০০! সরকরি গেজেটে ৮০০+ , জুলাই নিহতদের নিয়ে এই রসিকতা কেন?
এটাই এই কনফারেন্সের সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন আমার প্রশ্ন আমার কাছে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নেতা হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয় তাই অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে। তিনি যথেষ্ট বুদ্ধিমান। তিনি তার বক্তব্যে জাতিসংঘকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন এবং ইউনূস ক্ষমতায় নির্বিচারে গণহত্যার বিষয়গুলো বিশ্ব মিডিয়ায় দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইউনূসের " ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স " কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
জয় খুব স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববাসীর কাছে প্রশ্ন রেখেছেন - ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স?
তাহলে কি আমাদের হত্যা করা বৈধ ?
পুলিশ ও সিভিলিয়ন হত্যা বৈধ ?
জয় খুব সহজভাবে " ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স" কে প্রশ্নবিদ্ধ কলে দিয়েছেন।
জয়কে লুসিড ড্রিমের পক্ষ থেকে একটা স্যালুট জানাই।
👉 আগামীর নেতৃত্বকে এমনি বিচক্ষণ হতে হবে।
👉 জয় দশ হাজার আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতারকে প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে কারাগারের ভেতর বিনা বিচারে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হত্যার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সামনে উপস্থাপন করেছেন।
নতুন বাংলাদেশ সম্পর্কে বলতে গিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন , " বাংলাদেশে আজ রাজনৈতিক হত্যা সম্পূর্ণ বৈধ " । সাংবাদিক হত্যা থেকে গণমাধ্যমের গলা টিপে ধরা বিএনপি ও জামায়াতের স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে হিউম্যান রাইটস ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি বর্তমানের বাংলাদেশকে বিশ্ববাসীর সামনে একটি " ব্যর্থ রাষ্ট্র " হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার স্বপক্ষে এত সুন্দর করে যুক্তি দিয়েছেন , যা দেখে আজ থেকে ২৬ বছর আগের সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাথে আমার সেই কথোপকথন এর কথা মনে পড়ে গেল।
👉 এমন সৎ ও সাহসী নেতাই আগামীর বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন।
ব্যর্থ রাষ্ট্র বাংলাদেশের উদাহরণ দিতে গিয়ে জয় বলেন , " এখনি বন্ধ করা না গেলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।আল কায়েদার প্রকাশ্য পতাকা নিয়ে মিছিল , হিজবুত তাহরীর মত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের ঢাকার রাস্তায় মিছিল , সব মিলিয়ে বর্তমান বাংলাদেশের চিত্র জয় বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করেছেন।
ইন্টারন্যাশনাল প্রেসক্লাবের আয়োজনে শেখ হাসিনার বক্তব্য শোনার জন্য আমি এখনও অপেক্ষা করছি। দীর্ঘ দুই বছর পর শেখ হাসিনার স্পষ্ট বক্তব্য শুনছি। সবাইকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে " আসসালামুয়ালাইকুম " বলে শেখ হাসিনা তার বক্তব্য শুরু করলেন।
শেখ হাসিনা তার বক্তব্য বলেন , " সাংবাদিকতা হচ্ছে একটি দায়িত্ববোধ। এই দায়িত্ববোধ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পালন করতে হয়। শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু , জাতীয় চার নেতা ও ত্রিশ লক্ষ শহীদের কথা বলেছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের তার পরিবারের ১৭ সদস্যদের মৃত্যুর কথা বলতে গিয়ে তিনি বারবার কেঁদে উঠেছেন।
শেখ হাসিনা তার দুই বছরের ছোট শেখ কামালের কথা বলতে গিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন। শেখ কামালের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন , " শেখ কামাল শুধু একজন তরুণ নেতা ছিলেন না , শেখ কামাল ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। শেখ কামাল একজন খেলোয়াড় ছিলেন।
কোটা সম্পর্কে বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন , ' কোটা সরকার ও আদালত বাতিল করে দিয়েছিলো। এই বিষয়ে কথা বলতে তিনি আন্দোলনের নেতাদের গণভবনে ডেকেছিলেন। কিন্তু ১৫ জুলাই থেকে সাধারণ ছাত্রদের ইমোশনকে ম্যানিপুলেট করে একটি গুপ্ত দল এই সুযোগটি নিয়েছিল। এটাতে রেজিম চেঞ্জে মূখ্য ভুমিকা পালন করেছেন ইউনূস। এই কোটা আন্দোলনে কোন ভিজিবল নেতা ছিলেন। এটা ছিল একটা পরিকল্পিত লুট ও ডাকাতি।এই প্রসঙ্গে বলতে শেখ হাসিনা জেলখানায় আক্রমণ করে অপরাধীদের ছাড়িয়ে নেওয়া, বিটিভি ভবন সহ বিভিন্ন জায়গায় হামলার কথা বলেছেন। ১৫ টি মিডিয়ায় আগুন ও লুটপাটের কথা বলেছেন। ৪৬০ টি থানা লুট ও অস্ত্র লুটের কথা সমগ্র বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করেছেন। ৩০০০ পুলিশ সদস্যদের হত্যার কথা বলে শেখ হাসিনা প্রশ্ন রেখেছেন বিশ্ববাসীর সামনে -
" যখন পুলিশ কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয় , থানা ও থানার অস্ত্র লুট করা হয় , সরকারী সম্পত্তি লুট ও আগুন দেয়া হয়, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মীরা কি ❓
শেখ হাসিনা বলেন , " পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সত্য জানার অধিকার রয়েছে। সত্য যাতে মানুষের কাছে প্রকাশিত না হয় তাই ইউনূস জুলাই অনুসন্ধান বন্ধ করে রেখেছে । এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন,
" They don't want justice , They want power. They stopped inquiry's, because they involved.'
এই প্রসঙ্গে প্রমাণ হিসেবে একজন এনসিপির নেতার উদ্ধৃতি দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন , ' আমরা যদি থানায় ও মেট্রোরেলে আগুন না দিতাম , তাহলে জুলাই সফল হতো না।"
( জুলাই জ-ঙ্গী হামলার জন্য এটাই সবচেয়ে বড় প্রমাণ)
শেখ হাসিনা আরও বলেন ,
" It was not a peacefully student movement. There was no Visible and responsible leadership.
( শেখ হাসিনার এই বক্তব্য শতভাগ সঠিক। জুলাই আন্দোলনে কোন নেতা ছিলো না। বেশীরভাগই ছিল গুপ্ত। ৫ আগষ্টের পর এই গুপ্তরা এক এক করে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।)
শেখ হাসিনা একজন সরকারপ্রধান হয়ে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। বিএনপি ও জামায়াত ক্ষমতার জন্য হাজার হাজার মানুষ হত্যার পরিকল্পনা নিয়েছিল। তা বুঝতে পেরেই শেখ হাসিনা মাঠ ছেড়ে দিয়েছেন। এটাকেই লেলিনের ভাষায় " One step forward two steps back" তথা এক পা আগে ও দুই পা পিছে ' রাজনৈতিক সূত্র বলে। শেখ হাসিনা এখন তার পিছিয়ে যাওয়া সামনে দিয়েছেন। তার পেছনে আবার লক্ষ কোটি জনতা দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুভয়কে যে মানুষ বারবার তুচ্ছ করতে পারে তার জন্য মরতে লক্ষ লক্ষ তরুণ প্রস্তুত হচ্ছে। সবার মুখে শেখ হাসিনার মতো সেই একটাই কথা -
" আমাদের আর হারানোর কিছুই নেই।"
দেশে ফেরার দৃঢ় প্রত্যয় শেখ হাসিনা ব্যক্ত করে দিয়েছেন। এখন দায়িত্ব বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের মরে
এই দেশটা বাঁচাতে হবে। এখানে কোন আপোষ হবে না।
কোন যদি ও কিন্তু হবে না। এটাই বাঙালি ও বাংলাদেশের শেষ যুদ্ধ। বাঙালির অসমাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হবে।
একজন দর্শক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরলে "হত্যা ও গ্রেফতার করা হতে পারে" এই প্রশ্নটি করলে - শেখ হাসিনা উত্তর দেন -
" ১৯৮১ সাল মৃত্যু ভয় তুচ্ছ করে শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছেন।১৯৮৩ , ১৯৮৫ , ১৯৮৭ তিনবার গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০০৭ সালেও মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছেন। বারবার শেখ হাসিনার দেশে ফেরা আটকানোর বহু চেষ্টা করা হয়েছে । বারবার মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে শেখ হাসিনা বারবার দেশে ফিরেছেন। এজন্য শেখ হাসিনা তার উত্তরে আবারও স্পষ্ট করে বলেছেন , " মরে গেলেও তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন " ।
শেখ হাসিনা বাঙালির রাজকন্যা , শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা , শেখ হাসিনা আমাদের বোন। আমাদের শরীরের রক্ত দিয়ে আমাদের মায়ের সম্মান আমাদের রক্ষা করতেই হবে।২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলাও শেখ হাসিনাকে তার সততা ও আদর্শ থেকে ফেরাতে পারেনি।
শেখ হাসিনা তার দেশে ফেরা নিয়ে বলেন , " আমি আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি না, আমি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি । আমি বাংলাদেশের জনগণের কথা ভাবি , আমি তাদের জন্য বাঁচি , এবং মরলেও বাংলাদেশের জনগণের জন্য মরব।"
সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম Golam Rabbani
৫-৮-২০২৬
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল  কতৃপক্ষ দায়ী নন।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!