অনলাইন বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
এক অনুপস্থিত কণ্ঠ আর
দিল্লির ফরেন প্রেস ক্লাব-
যাঁকে তাঁর বিরোধীরা “ফ্যাসিস্ট” বলে আখ্যা দেন এবং দাবি করেন যে তিনি দুই বছর আগে নিজ দেশ ছেড়ে চলে গেছেন—সেই মানুষটির কণ্ঠ শুনতেই দিল্লি ফরেন প্রেস ক্লাবের মার্ক টালি হলঘর সাংবাদিকে পরিপূর্ণ। উপস্থিত সবাই নোটবুক, ল্যাপটপ, মোবাইল ও অনলাইন ডিভাইস হাতে প্রস্তুত; আন্তর্জাতিক পরিসরে সেই বক্তব্য পৌঁছে দিতে প্রস্তুত বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও।
এআই ও ডিজিটাল যুগে বিশালাকার টেলিভিশন ক্যামেরা আর অপরিহার্য নয়। আজ নানা ধরনের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা শুধু সাংবাদিকদের হাতেই নয়, সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয়। এমনকি চশমায় সংযুক্ত অত্যাধুনিক ক্যামেরাও এখন বাস্তবতা। তবু বিস্ময়ের বিষয়—মূল বক্তা সাংবাদিকদের সামনে দৃশ্যমান নন; তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না, শোনা যাচ্ছে শুধু তাঁর কণ্ঠ।
আর সেই কণ্ঠ শুনতে এত উৎসাহ! বিশ্বের প্রভাবশালী বহু সংবাদমাধ্যমও সেই বক্তব্য লাইভে প্রচার করছে। প্রশ্ন জাগে—কী আছে সেই কণ্ঠে, যা এত মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে?
দিল্লির ঘটনা একদিকে, নিজের দেশেও যেন তুমুল আলোড়ন। সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে সরকারের কঠোর নির্দেশ—সেই কণ্ঠ প্রচার করা যাবে না। শুধু তাই নয়, বিদেশি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে অনুষ্ঠান বন্ধের অনুরোধ বা নির্দেশ দেওয়ার খবরও প্রকাশ্যে এসেছে।
এখানেই আরেকটি প্রশ্ন। তিনিতো রাষ্ট্রীয় বিমানেই দেশত্যাগ করেছিলেন। পালাতে হলে তো বিমান হাইজ্যাক একমাত্র উপায় নয় কি ? কিন্তু সেই বিমানটি নিয়মমাফিক এয়ারড্রোমে ফিরেও এসেছিল। তাহলে তাঁদের দুই বছর ধরে একই ভাষ্য বারবার উচ্চারিত হচ্ছে কেন? আশ্চর্যের বিষয়, শুধু সাধারণ মানুষ নন, অনেক শিক্ষিত ও বিবেকবান মানুষও সেই কথাই তোতাপাখির মতো পুনরাবৃত্তি করছেন।
তিনি আসবেন
কারণ তিনি শুধু একজন সফল রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান–এর কন্যা, শেখ হাসিনা।
পাভেল রহমান
নিউইয়র্ক,
৬ অগস্ট ২৬।
ক্যাপশনঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ছবিটা তুলেছিলাম ঢাকায় রাষ্ট্রীয় বিজয় দিবসের প্যারেড অনুষ্ঠানে। সেই ছবি থেকে এ আই এর জলরং।
Pavel Rahman's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল কতৃপক্ষ দায়ী নন।
নিউজ ডেস্ক