রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন

আল আমীন সরদার আল আমীন সরদার
শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৫ pm
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে আসেন  স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন

আল আমীন সরদার

ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধ

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, “এই সরকার ব্যর্থ হলে এদেশে কেউ বাস করতে পারবে না।”

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, আপনাদের অনুরোধ করে বলছি, এরপরেও যদি অনিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে আমাদের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে টার্মিনেশন অথবা সাসপেনশন করতেই হবে। আমরা এখন থেকে কঠোর অবস্থানে যাবো। যতদিন নরম থাকার কথা ছিল, আমরা নরম ছিলাম। কিন্তু এখন আর সেই সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি সিনসিয়ার প্রধানমন্ত্রী আর আসেননি। জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই সময়ে যদি আমরা আমাদের কমিটমেন্টে ব্যর্থ হই, তাহলে শুধু আমরা নয় আপনারাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

এর আগে মন্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা-অভিযোগ শোনেন। পাশাপাশি হাসপাতালের রান্নাঘর, টয়লেট, স্টোররুম ও অপারেশন থিয়েটার পরিদর্শন করে সার্বিক অবস্থা যাচাই করেন।

পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত দুটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারও পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা এবং নরমাল ডেলিভারি সেবা না থাকায় ‘মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিক’ সিলগালা করা হয়। একই কারণে ‘পপুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিক সেন্টার’ ৭ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারলে প্রতিষ্ঠানটিও সিলগালা করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। এ ছাড়াও সরকারি অফিস চলাকালীন সময়ে বেসরকারি ক্লিনিকে এসে অপারেশন করানোর প্রমান পাওয়ায় ডা. শারমিন জাহান ও ডা. রাসেল কে কারন দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ক্লিনিক দুটি পরিদর্শনে এসে আমরা কোনো ধরনের লাইসেন্স পাইনি। এমনকি তাদের নরমাল ডেলিভারি সেবাও ছিল না। এছাড়া বিভিন্ন অনিয়ম চোখে পড়েছে। তাই আপাতত ৭ দিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে যদি তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারে, তাহলে পুনরায় চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত‌ চন্দ্র‌ বিশ্বাস, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোঃ রেহান উদ্দিন, উপজেলা আবু নাঈম মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী কমিশনার ভুমি কে এম রাফসান রাব্বি।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!