বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

খাল খননের অবশিষ্ট ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিলেন কেরানীগঞ্জ ইউএনও মোঃ উমর ফারুক

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:১২ pm
২০
খাল খননের অবশিষ্ট ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিলেন কেরানীগঞ্জ ইউএনও মোঃ উমর ফারুক
ওমর ফারুক

কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি: কেরানীগঞ্জ উপজেলার খারাকান্দি ও শুভাঢ্যা দিঘীরপাড় খাল পুনর্খনন প্রকল্পে নির্ধারিত বাজেটের উল্লেখযোগ্য অংশ সাশ্রয় করে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৭ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের প্রশংসা কুড়িয়েছে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা দিঘীরপাড় খাল এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার রুহিতপুর ইউনিয়নের খারাকান্দি খালের নাব্যতা পুনরুদ্ধার ও বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে বিশেষ খাল পুনর্খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।প্রকল্পটির বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক। প্রশাসনের দাবি, স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়া, নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি এবং অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের ফলে নির্ধারিত মান বজায় রেখেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। এতে মূল বরাদ্দের একটি বড় অংশ সাশ্রয় হয়।প্রকল্পের কাজ শেষে প্রয়োজনীয় সরকারি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৭ টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা গেলে নির্ধারিত বাজেটের মধ্যেই সাশ্রয়ী ব্যয়ে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমাদের লক্ষ্য ছিল জনগণের অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। তাই সাশ্রয় হওয়া অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারেই ফেরত দেওয়া হয়েছে।” স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সরকারি প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় বা বাজেট বৃদ্ধির খবর প্রায়ই শোনা যায়। তবে কাজ শেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল। তাদের মতে, এ উদ্যোগ সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!