দিন শুরু হয় ভোরে, আর শেষ হয় গভীর রাতে। পরিবারের সদস্যরা তখনও ঘুমিয়ে থাকে। ভোরে সন্তানদের ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে কর্মস্থলে যেতে হয়, আবার রাতে বাড়ি ফিরলেও তাদের ঘুম ভাঙে না। ফলে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানো তো দূরের কথা, একজন বাবা বা মা হিসেবে ন্যূনতম দায়িত্ব পালন করাও কঠিন হয়ে পড়েছে অনেক ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধির জন্য।
কোম্পানির নির্ধারিত টার্গেট পূরণ, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, প্রতিনিয়ত ম্যানেজমেন্টের চাপ এবং মানসিক উদ্বেগে অনেক কর্মী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাদের দাবি, অতিরিক্ত কর্মচাপের কারণে স্ট্রেস, উচ্চ রক্তচাপ, ঘুমের সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে চলেছে।
ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা বলছেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের কর্মজীবনের বাস্তবতা অনেকটাই উপেক্ষিত। তাই তারা যুক্তিসঙ্গত কর্মঘণ্টা, বাস্তবসম্মত বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা, সাপ্তাহিক পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং পরিবারকে সময় দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
তাদের আশা,সরকার ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কর্তৃপক্ষ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং নীতিনির্ধারকরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং একটি মানবিক, নিরাপদ ও ভারসাম্যপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।
মোঃমিজানুর রহমান