ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বিকেল ৩টার দিকে ভূরুঙ্গামারী মহিলা কলেজ মাঠে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সমবেত হন। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভূরুঙ্গামারী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী আলাউদ্দিন মণ্ডলের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম বেবু এবং হাসিবুর রহমান।
উপজেলা যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম শান্তর সঞ্চালনায় সভার শুরুতে দিবসটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শহিদুল ইসলাম আকন্দ।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদ, পিপি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান জুবায়ের হিমেলসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ঐক্য, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আয়োজকদের দাবি, র্যালি ও আলোচনা সভায় উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন থেকে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় পাঁচ হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেন। বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।