অনলাইন ২৫ জুলাই ২০২৬ জূলাই
অনলাইন ২৫ জুলাই ২০২৬ জূলাই
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ক্রমেই জটিল এক সমীকরণের দিকে যাচ্ছে।।
ঈশ্বরের পাঁচটি রত্নভাণ্ডারের একটা হচ্ছে ধর্মগ্রন্থ ( Hollybooks ) . বাংলাদেশের রাজনীতির হোলি বুকস হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। বাংলাদেশের মানুষের কাছে মুক্তির ত্রাণকর্তা হিসেবে বারবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বিভিন্ন রূপে এসেছে । কিন্তু এইবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন । এমন ভিন্ন পরিবেশে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং রাষ্ট্রপতিকে বিএনপি ও জামায়াতের পদত্যাগ করানো সহ পাঁচটি বিষয় খুব আলোচিত হচ্ছে।
শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণায় বিএনপি ও জামায়াত ভীত হয়ে রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দমতো রাষ্ট্রপতি বসাবে এটাই স্বাভাবিক।এই নিয়ে শেখ হাসিনা একটুও বিচলিত নন। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণায় বিএনপি ও জামায়াত কতটা ভয় পেয়েছে এটা তার প্রাথমিক একটা আলামত মাত্র।১ বছর ৯ মাস রাষ্ট্রপতির মেয়াদ থাকতে তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত বিএনপি ও জামায়াতের ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থার একটা নমুনা মাত্র। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ ( ৩ ) অনুচ্ছেদ এর অপব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে একজন রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের নামে ক্ষমতাচ্যুত করা হলো। এক্ষেত্রে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মধ্যে অনন্য সরকার প্রধান।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কারাজীবণ কাটিয়েও শেখ হাসিনা বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তা সারাবিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। এজন্য বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন শেখ হাসিনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে যথার্থ বলেছে ,
" She remains one of the last leaders of her generation to stand firm against extremism and great - power pressure - a reminder that's strength , in the global South , often comes at a cost ."
অর্থাৎ " তিনি তাঁর প্রজন্মের সেই শেষ সারির নেতাদের একজন যিনি চরমপন্থা ও পরাশক্তিদের চাপের বিরুদ্ধেও দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন - এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, গ্লোবাল সাউথ শক্তির প্রায়শই একটা মূল্য দিতে হয়।"
দীর্ঘ ১৬ বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন কালে শেখ হাসিনা একজন আন্তর্জাতিক রাজনীতিবীদে পরিণত হয়েছিলেন । এই দীর্ঘ ১৬ বছরে শেখ হাসিনা পৃথিবীর কোন পরাশক্তিধর দেশের কাছে মাথানত করেননি, এবং বাংলাদেশকেও মাথানত করতে দেননি। তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শুধু " এশিয়ার রাইজিং টাইগার " বানাননি , বরং শেখ হাসিনা পরিণত হয়েছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী ও মানবিক প্রধানমন্ত্রী। তাই বিশ্ব পরাশক্তিদের দেশ আমেরিকার কাছে গ্লোবাল সাউথে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে মূল্য দিতে হয়েছে।
শেখ হাসিনা শুধু দশ লক্ষ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেননি , তিনি বাংলাদেশের উজ্জ্বল এক ভবিষ্যৎ তৈরি করে দিয়ে গেছেন। তার ফরেন পলিসির প্রশংসা খোদ শত্ররাষ্ট্র আমেরিকা ও পাকিস্তানের সরকার পর্যন্ত করতে বাধ্য হয়েছে।
শেখ হাসিনা আগষ্ট মাসে আলেকজান্ডার বুসেফেলাসকে একটি ছোট দায়িত্ব দিতে চান। এজন্য তিনি আগামী প্রজন্মের নেতা ও নেতৃত্ব দুটোই তৈরি করতে চান।
ঈশ্বরের পাঁচটি রত্নভাণ্ডারের আরেকটি রত্নভাণ্ডার হচ্ছে শস্য। শেখ হাসিনার রত্নভাণ্ডার হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। যেমন চাষ তেমনি ফল। শেখ হাসিনা গত দুই বছরে এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছেন । তাই তার এই মুহূর্তে " বরফ এর পাঁচটি রত্ন" সম্পর্কে জানতে হবে। আগামী পাঁচ মাসে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। এই গুপ্ত রহস্য " আলেকজান্ডার বুসেফেলাস ও শেখ হাসিনার মধ্য সীমাবদ্ধ থাকুক।।
রহস্য একদিনে জেনে ফেললে হবে না। পাকিস্তান জিন্দাবাদকে করাচীর ভিক্ষার থালা ধরিয়ে না দেয়া পর্যন্ত এই সংগ্রাম চলবে। পাকিস্তানের শেহবাজ শরীফের গদির সাথে তারেক রহমানের গদির খুঁটিও নড়বড়ে হতে থাকবে।তাই সত্যিকারের উপলব্ধি ও জ্ঞানের জন্য আলেকজান্ডার বুসেফেলাস এর ধারাবাহিক " আগষ্ট প্রতিবেদন " এর উপর চোখ রাখুন।।
"দেখা হবে বন্ধু, বিজয়ের মিছিলে।"
Shahidullah Osmani's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল কতৃপক্ষ দায়ী নন।
নিউজ ডেস্ক