মোঃ ফরিদ হোসেন, গাজীপুর প্রতিনিধি।
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার মোট ১২ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে মাদক মামলার এজাহারনামীয় আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন আসামি, সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং জিএমপি প্রসিকিউশন মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১১২৫ মিলিলিটার মদসহ মাদক মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামি রয়েছেন। তারা হলেন বগুড়া সদর থানার গোহাইল রোড সূত্রাপুর এলাকার ইমরান শেখ (২৭), পিতা আলহাজ্ব শেখ, মাতা মরিয়ম বেগম এবং গাজীপুর সদর থানার মারিয়ালী পশ্চিম বিলাসপুর প্রেসিডেন্ট রোড এলাকার লিখন চোকদার আবেগ (২৬), পিতা আলমগীর চোকদার, মাতা রিনা বেগম।
এ ছাড়া ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন বাসন থানার নলজানী পশ্চিমপাড়া এলাকার মোঃ রাকিব হোসেন (২৯), পিতা মোঃ হযরত আলী, মাতা রেশমা; নলজানী গ্রেটওয়াল সিটি এলাকার মোঃ মেহেদী হাসান (২৩), পিতা মৃত হারুন অর রশিদ, মাতা কেয়া পারভীন; বাসন সড়কের একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ মিলন (৩৫), পিতা মোঃ সোবহান, স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের পীরগঞ্জ; এবং পেয়ারা বাগান এলাকার একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া সজিব (৪০), পিতা মোঃ মোফাজ্জল হোসেন, স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের পীরগঞ্জ।
সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে গাজীপুরের বাসন থানার তেলীপাড়া এলাকার মোঃ নাজমুল ইসলাম রুবেল (৩৬), পিতা মোঃ দিদার হোসেনকে।
অন্যদিকে, জিএমপি প্রসিকিউশন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে আরও পাঁচজনকে। তারা হলেন গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার সোয়ারটুক এলাকার আকাশ (৩৮), পিতা মৃত জালাল উদ্দিন; ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার কাজিয়াকান্দা এলাকার মোঃ আজাহারুল ইসলাম (২৫), পিতা নিজাম উদ্দিন; নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার বলাই শিমুল এলাকার মোঃ আকবর (৪৫), পিতা মৃত আব্দুল আজিজ; রংপুরের পীরগঞ্জ থানার বেন্ডাবাড়ী এলাকার মোঃ মিঠুন ইসলাম (৩২), পিতা নওশাদ; এবং শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার বাকাকুড়া এলাকার নাজমুল (৩৮), পিতা মৃত আব্দুল জলিল। তারা সবাই বর্তমানে গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ও সন্দেহভাজন মোট ১২ জনকে গ্রেফতারের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।