বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

আশুলিয়ায় ২ বছরের শিশু অপহরণ: অপহরণকারী গৃহকর্মী বেলী গ্রেপ্তার, শিশু জীবিত উদ্ধার ‎

মোঃ শিহাব উদ্দিন শেখ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ pm
৩১
আশুলিয়ায় ২ বছরের শিশু অপহরণ: অপহরণকারী গৃহকর্মী বেলী গ্রেপ্তার, শিশু জীবিত উদ্ধার ‎
ডানে অপহরণকারী বেলি এবং বামে উদ্ধারকৃত শিশু ও তার পরিবার

ঢাকার আশুলিয়া থেকে অপহৃত দুই বছরের শিশু মীম আক্তারকে টাঙ্গাইল থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল অপহরণকারী গৃহকর্মী মোছাঃ বেলী বেগমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

‎

‎গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাতে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানাধীন খালপাকুটিয়া দেওলাবড়ি এলাকায় এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১৪-এর এক যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎

‎প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ ভিকটিম মীমের পরিবার তাদের সন্তানকে দেখাশোনার জন্য মোছাঃ বেলী বেগমকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেয়। শিশুটির মা একজন পোশাক শ্রমিক (গার্মেন্টস কর্মী)। গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে শিশুটিকে বেলী বেগমের হেফাজতে রেখে তার মা-বাবা কর্মস্থলে যান। রাত ১০টায় কাজ শেষে বাসায় ফিরে তারা গৃহকর্মী ও শিশু কাউকেই পাননি। সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে শিশুটির মা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

‎

‎ঘটনার পরপরই এসআরবি-৪ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। তদন্তে জানা যায়, বেলী আক্তার তার ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় ভাড়া ছিলেন। বেলী বেগমের একটি পুরোনো ডিভোর্স লেটার নোটিসের সূত্র ধরে প্রথমে টাঙ্গাইলের একটি পুরোনো ঠিকানার সন্ধান মেলে। যদিও তিনি সেখানে ১৫ বছর ধরে থাকতেন না, তবে স্থানীয়দের সহায়তায় ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বেলী বেগমের তৃতীয় স্বামীর ঘাটাইলের বর্তমান ঠিকানা উদ্ধার করা হয়। পরে সেই ঠিকানায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বেলী বেগমকে গ্রেপ্তার এবং শিশু মীমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে এসআরবি-৪।

‎গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা রয়েছে।

‎

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!