বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

কাগজ ছাড়াই সংখ্যালঘুর অজুহাতে জমি দখলের প্রসাশনকে ব্যবহারের চেষ্টা’: উখিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মুন্সি পরিবারের অভিযোগ"

মো গিয়াস উদ্দীন
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ am
৩৭
কাগজ ছাড়াই সংখ্যালঘুর অজুহাতে জমি দখলের প্রসাশনকে ব্যবহারের চেষ্টা’:  উখিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মুন্সি পরিবারের অভিযোগ"
সাংবাদিক সম্মেলনের ছবি মুন্সি পরিবার

উখিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধ, পূজা বন্ধের হুমকি ও প্রশাসনের মধ্যস্থতা সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়া দারোগা বাজারে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে রতন গংদের আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলন স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দেয়। সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মুন্সি পরিবারের কাছ থেকে দাবিকৃত জায়গা উদ্ধার করা না হলে আসন্ন পূজা উদ্‌যাপন করবেন না। এ দাবিকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরীর উদ্যোগে উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিরোধপূর্ণ স্থানের আংশিক ভাঙা দেয়াল প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংস্কার করে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে শর্ত দেওয়া হয়, রতন গংদের দায়ের করা আপিল মামলার রায় বা ডিক্রি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ স্থানে কোনো পক্ষই অনুপ্রবেশ করতে পারবে না।

তবে অভিযোগ উঠেছে, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনে বিলম্ব হলে রতন গংরা আগের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন করে আরও কিছু দাবি উত্থাপন করেন। তাঁদের পক্ষ থেকে অবশিষ্ট দেয়ালও সংস্কার করে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় আসন্ন পূজা বন্ধ রাখার কথা বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিষয়টি পুনরায় প্রশাসনের নজরে এলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুন্সি পরিবারকে ডেকে আবারও বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরীসহ বৈঠকে ডিডিও উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে মুন্সি পরিবারের পক্ষ থেকে টিনের বেড়া দেওয়ার প্রস্তাবও আলোচনায় আসে।

পরবর্তী সময়ে মুন্সি পরিবারও একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে যা নিজেদের অবস্থান ও অসহায়‌ত্বের কথা তুলে ধরা হয়।

বিরোধপূর্ণ জমিটির বিএস ৭০২৯ দা‌গ, জ‌মির প‌রিমান আনুমা‌নিক ২৫শতক। তা‌দের দখ‌লে আছে ৭০শতক। জ‌মির মুল মা‌লিক জেলা প্রশাসক। ত‌বে ১/৮৬-৮৭ তে শ্রেনী প‌রিবর্তন মামলায় জা‌কের মু‌ন্সির নাম প্রস্তাব ও সুপা‌রিশসহ জেলা প্রশাসক কর্তক অনু‌মোদন পায়।

বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকলে, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে যে কোনো পক্ষের দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।

ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে, আদালতের বিচারাধীন বিষয়কে আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা উভয় পক্ষের অধিকার রক্ষা করাই হওয়া উচিত প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!