মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

২৮০০ টাকার লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি? গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে কর্মকর্তা চাকরিচ্যুতির দাবি ঘিরে আলোচনা

মোঃ ফরিদ হোসেন
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ pm
১৬
২৮০০ টাকার লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি? গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে কর্মকর্তা চাকরিচ্যুতির দাবি ঘিরে আলোচনা

গাজীপুর প্রতিনিধি: মোঃ ফরিদ হোসেন

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৬ (বাসন) কার্যালয়ে লাইসেন্স ফি ও অর্থ আদায় নিয়ে অভিযোগ, কর্মচারীর বদলি এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ২ হাজার ৮০০ টাকার লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এ অর্থ দাবির অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার চাকরিচ্যুতির বিষয়টি সরকারি নথির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চুক্তিভিত্তিক কনজারভেন্সি শ্রমিক মোঃ আওলাদ হোসেনকে ২০২৬ সালের ১২ মে স্মারক নম্বর ৪৬.১৯.০০০০.০০৪.১৯.১৯০.২২২২৮/১(২৮)-এর মাধ্যমে অঞ্চল-৬ (বাসন) কার্যালয় থেকে অঞ্চল-২ (পুবাইল) কার্যালয়ে বদলি করা হয়। পরদিন ১৩ মে স্মারক নম্বর ৪৬.১৯.০০০০.১২৬.৯৯.১২৭.২৩.১০১০-এর মাধ্যমে তাঁকে বাসন কার্যালয় থেকে অবমুক্ত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বদলির এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বাসন কার্যালয়ের লাইসেন্স কর্মকর্তা মোঃ গোলাম রসূল এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে আওলাদ হোসেনের বিরোধ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ও সাংবাদিকদের কাছে জমা দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বদলির পর আওলাদ হোসেন নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করার কথা বলেছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব বক্তব্যের সত্যতা যাচাই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পর আওলাদ হোসেনকে অঞ্চল-৬ (বাসন) থেকে অঞ্চল-৮ (কাশিমপুর) কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালে তিনি আবার বাসন কার্যালয়ে যোগদান করেন। এরপর পুনরায় পুবাইল কার্যালয়ে বদলির আদেশ দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নথি ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন।

২৮০০ টাকার লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন

লাইসেন্সের নির্ধারিত ফি ২ হাজার ৮০০ টাকা হলে ১০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন। নির্ধারিত ফি, অতিরিক্ত অর্থ দাবির প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় এবং এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ

জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এ ঘটনায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারী বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানা জরুরি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁদের বক্তব্যও প্রকাশ করা প্রয়োজন।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!