নরসিংদী সদর থেকে
আপেল চৌধুরী
গতকাণ ২১ জুলাই রাত আনুমানিক সারে তিনটার দিকে সিগন্যাল লাইনের ক্যাবল চুরির ঘটনায় ট্রেন চলাচলের বিঘ্নিত ঘটে। বাংলাদেশ রেলওয়ে স্টেশনে মাস্টার ও নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে অবহেলা। রেলওয়ে পুলিশ দায়িত্বরত অবস্থায় থাকা সত্বেও সিগ্যাল লাইনের ক্যাবল চুরির ঘটনা কিভাবে সম্ভব। সাধারণ মানুষের প্রশ্নঃ নিরাপত্তা বাহিনী কর্মকর্তা উপস্থিত থাকা সত্বেও সিগন্যাল লাইনের ক্যাবল চুরির। রাতের বেলায় নিরাপত্তা বাহিনী ও জি-আরপি পুলিশ কর্মরত দায়িত্বে রাত ১০ / ১১ টার পর থেকে স্টেশন মাস্টার ও নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজন ভিআইপি লাউঞ্জে বিশ্রামের নামে চলে আড্ডা। যদিও তাদের ডিউটির ভোর সকল ৮ টা পর্যন্ত। নিরাপত্তা বাহিনীর ডিউটি হচ্ছে মাস্টার থেকে আরশীনগর সিগন্যাল পয়েন্ট ও পশ্চিম পাশের বটতলা জিরো পয়েন্টের সিগনাল পর্যন্ত। গতকাল মঙ্গলবার রাতে স্টেশন মাস্টার, নিরাপত্তা বাহিনীর হাবিলদারসহ রেলপথ কর্মরত কাউকেই তেমন একটা দেখা যায়নি। তাদের অবহেলার কারণে ভ্রমণ কারি যাত্রীদের মুল্যবান জিনিসপত্র চুরির ঘটনা ঘটনা ঘটছে। তাদের বিরুদ্ধে নিচ্ছেন না কোন ধরনের আইনী ব্যবস্থা না থাকার কারণে চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষের দাবি কর্মরতদের অবহেলার কারণে চুরির মহা উৎসব চলছে নরসিংদী রেলস্টেশনে। এ ব্যপারে বাংলাদেশ রেলপথ ঊর্ধ্বতন কর্মরত সরকারি ব্যবস্থাপকের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া উক্তস্থান গুলির পাশে প্রতিনিয়ত একদল মাদকাসক্ত যুবকের আড্ডা দেখা যায়। স্টেশন মাস্টার ও নিরাপত্তা বাহিনীর অবহেলিত জনগোষ্ঠীর এড়িয়ে চলার করণেই স্টেশন এলাকায় চুরি ও ছিনতাই কারি চক্রের জনৈক সদস্যদের কে দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক। তাছাড়া স্টেশনের পূর্ব পাশে ও পশ্চিম পাশে যেকোনো সন্দেহভাজন কাওকে চোখে পরলে স্টেশন মাস্টার ও নিরাপত্তা বাহিনীর হাবিলদার ও রেলপথ প্রকৌশলী কে অবগতির জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
উপজেলা প্রতিনিধি