মেধা ও মননে বিকশিত হোক আজকের সমাজ, ভবিষ্যতের পৃথিবী”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপায় আবদুল গনি স্মৃতি পাঠাগারের ২৯ বছর পূর্তি ও ৩০তম বছরে পদার্পণ উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় পাঠাগার প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর গলাচিপা পৌরসভার সাতটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে মোট ১০৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করার পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী অন্যান্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে সান্ত্বনা পুরস্কারও দেওয়া হয়।
আবদুল গনি স্মৃতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিবুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন গলাচিপা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফোরকান কবির, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম সাইয়ুম, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান খান, গলাচিপা থিয়েটারের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং গলাচিপা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইমুন রহমান এলিট।
অনুষ্ঠানে গলাচিপা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফোরকান কবির বলেন, শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশে চিত্রাঙ্কনসহ এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা শুধু ছবি আঁকেনি, তাদের চিন্তা ও মনের অনুভূতিও চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। এ ধরনের কার্যক্রম তাদের মেধা ও মননের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার জন্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি সমাজের সচেতন মানুষদেরও শিশুদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আবদুল গনি স্মৃতি পাঠাগারের সদস্য সবুজ কুমার পাল, আবুল কালাম, অনুপ দেবনাথ, অলক কর্মকার, নেসার উদ্দিন, এম এ মান্নান, সামিয়া আক্তার সমি, সাথী বেগম, মুক্তি দত্ত, জুয়েল রানাসহ পাঠাগারের সদস্য ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার বিতরণী পর্ব শেষে ‘চাঁদের হাট’-এর নৃত্যশিল্পী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের নৃত্য পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।