রাজধানীর ডেমরার ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে দুবাইয়ে পালিয়ে থাকা যুবলীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর মাহমুদুল হাসান পোলিনের অর্থায়নে ৬৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা সবুজের নেতৃত্বে একটি মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধ ও জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড চালানোর জন্য ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের আদালতে ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে এই মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মশাল মিছিল ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন অলিগলি প্রদক্ষিণ করে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করলে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ থেকে নরসিংদীর ঘোড়াশাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ নদীবন্দরে ইজারা রয়েছে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল হাসান পোলিনের কাছে। এই ঘাট থেকে প্রত্যেক বছর মাহমুদুল হাসান পোলিন ও তার ম্যানেজার শাহিন ১০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেন বলে দাবি করেন তারা।
এই মাসের ১০ তারিখ বিআইডব্লিউটিএ কোনো রকম ইজারা ছাড়া ২০২৬ এবং ২০২৭ সালের বিআইডব্লিউটিএর এই নদীবন্দরটি আওয়ামী লীগের পলাতক নেতা পলিন এবং তার ম্যানেজার শাহিনের নামে বরাদ্দ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আর এই নদীবন্দরের আয়ের টাকা দিয়েই পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা পলিনের নির্দেশে তার ম্যানেজার ও পার্টনার শাহিনের অর্থায়নে যুবলীগ নেতা সবুজের নেতৃত্বে এই মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা পলিনের নির্দেশে তার ম্যানেজার শাহিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের অর্থায়ন প্রদান করে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এবং কলকাতা-দিল্লিতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের এই ঘাট থেকে আয়ের একটি অংশ পাঠানো হয় তাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য—এমন দাবিও করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।