নওগাঁয় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে ১০ গ্রাম হেরোইন ও ৩৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) জেলার বদলগাছী ও সাপাহার থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশে ১৩ সেপ্টেম্বর জেলা গোয়েন্দা শাখার দুটি অভিযানিক দল বদলগাছী ও সাপাহার থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
প্রথমে বদলগাছী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ জানতে পারে, উপজেলার চাকরাইল গ্রামের ঠাঠারি পাড়া মোড়ের আশপাশে এক ব্যক্তি মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে অভিযানিক দল সেখানে পৌঁছালে এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়।
এ সময় তাকে আটক করে উপস্থিত লোকজনের সামনে নাম-ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ ও দেহ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিতে তার হেফাজত থেকে পলিথিনে আগুন দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মকুল হোসেন (৪১)। তিনি বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল গ্রামের শারফুজ্জামান ওরফে মিন্টুর ছেলে।
অন্যদিকে, সাপাহার থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালায় ডিবির অপর একটি দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, উপজেলার হাপানিয়া শিয়ালমারি গ্রামের মানারুল হুদা মাদ্রাসার আশপাশে এক ব্যক্তি মাদক বিক্রির জন্য অবস্থান করছেন।
এরপর অভিযানিক দল মানারুল হুদা ইসলামি কমপ্লেক্সের দক্ষিণ পাশে পায়ে হাঁটা কাঁচা রাস্তায় পৌঁছালে এক ব্যক্তি ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে উপস্থিত লোকজনের সামনে দেহ তল্লাশি করা হয়।
এ সময় তার সঙ্গে থাকা লাল রঙের একটি শপিং ব্যাগের ভেতর থেকে ৩৫ পাতা ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি পাতায় ১০টি করে মোট ৩৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি আনোয়ার হোসেন (৩০)। তিনি সাপাহার উপজেলার হাপানিয়া শিয়ালমারি গ্রামের হযরত আলীর ছেলে।
ডিবি পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।