গোলাম কিবরিয়া
ডুমুরিয়া, খুলনা
ডুমুরিয়া উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের (ইউআরসি) ইনস্ট্রাক্টর ও খর্নিয়া ইউনিয়নের প্রশাসক *মোঃ মোসলেম আলীর* বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও ইউপি কর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি দায়িত্বে অনীহা ও স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, খুলনার দৌলতপুরের বাসিন্দা মোসলেম আলী খর্নিয়া ইউনিয়নের মেছাঘনা গ্রামে বিয়ে করে এখানে বসবাস শুরু করেন। শ্বশুরবাড়ির এলাকা হওয়ায় তিনি অন্যায্য প্রভাব বিস্তার করছেন এবং ইউপিতে সেবা নিতে আসা মানুষকে নানা অজুহাতে ফেরত পাঠাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী রানাই গ্রামের *সুফিয়া বেগম ও রমিছা বেগম* বলেন, "নাগরিক সনদের মতো সামান্য কাজের জন্যও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। কাজ না করে দিয়ে বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে ঘোরানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।"
ইউপির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথেও তিনি রূঢ় আচরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে *মোঃ মোসলেম আলী* বলেন, "আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি সরকারি বিধিমালা মেনেই দায়িত্ব পালন করছি।"
এ বিষয়ে *ডুমুরিয়া ইউএনও মিস সবিতা সরকার* বলেন, "জনসেবায় অবহেলা বা হয়রানির সুযোগ নেই। অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
*খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত* জানান, "ইউপির সেবা ব্যাহত করা বা অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"