শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরি, যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ pm
২০
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরি, যুবক আটক

মোঃ মোশফিকুর রহমান স্বপন , সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গোডাউনের তালা ভেঙে প্রায় ২০ লাখ টাকার অ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের ফার্ণিচার চুরির মামলায় হাফিজুর রহমান (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাদাঘাট ইউনিয়নের দীঘিরপাড় গ্রামের সংলগ্ন বাদাঘাট-সুনামগঞ্জ সড়ক থেকে তাকে আটক করা হয়।
 বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মনিরুজ্জামান সজলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

আটক হাফিজুর রহমান বাদাঘাট (নাগরপুর) গ্রামের রহিছ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পৈলনপুর গ্রামের মৃত হাজী সিরাজুল হকের ছেলে নাছির উদ্দীন প্রায় ১২ বছর ধরে বাদাঘাট বাজারের তাজুল ইসলাম মার্কেটে দোকান ও গোডাউন ভাড়া নিয়ে ‘মেসার্স নাসির এ্যালুমিনিয়াম এন্ড প্লাস্টিক ফার্ণিচার’ নামে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ঘটনার কয়েকদিন আগে মার্কেটের মালিক আবুল কালাম আজাদ ব্যবসায়ী নাছির উদ্দীনকে দোকান ও গোডাউন ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। 
এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ জুলাই রাত আনুমানিক ১টার দিকে আবুল কালাম আজাদ, তার ছেলে তারিকুল ইসলাম, ছোট ভাই আবুল হাসান, হাফিজুর রহমান, রহমত আলী ও নুর আলমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন গোডাউনের তালা ভেঙে ভেতরে থাকা অ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের ফার্ণিচারসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যান বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরদিন ১৬ জুলাই সকালে নাছির উদ্দীন বাজারে গিয়ে গোডাউনের দরজায় নতুন তালা দেখতে পান। বিষয়টি তিনি আশপাশের ব্যবসায়ী এবং বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জানান। পরে তাদের উপস্থিতিতে গোডাউনের তালা খুলে ভেতরে গিয়ে মালামাল না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন তিনি।

এ ঘটনায় ওই দিনই নাছির উদ্দীন বাদী হয়ে আবুল কালাম আজাদ, তার ছেলে তারিকুল ইসলাম, ছোট ভাই আবুল হাসান, হাফিজুর রহমান, রহমত আলী ও নুর আলমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে তাহিরপুর থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে হাফিজুর রহমানকে আটক করে।

বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মনিরুজ্জামান সজল আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মামলার একজন আসামিকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামী বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল- হাজতে পাঠানো হবে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!