গাজীপুর থেকে রিপোর্টার মোঃ মহিন উদ্দিন
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গোসিঙ্গা ইউনিয়নের কর্ণপুর গ্রামের বন্যাদিঘি মসজিদে মুসল্লিদের অযু করার স্থান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গোসিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সুমন মিয়া সরকারের কাছ থেকে কর্ণপুর গ্রামের বন্যাদিঘি ইজারা নেন। ইজারা নেওয়ার পর থেকেই তিনি ওই দিঘি ও এর আশপাশের এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
মুসল্লিদের দাবি, বন্যাদিঘি মসজিদের মুসল্লিদের ব্যবহারের জন্য পুকুরের পাড়ে সরকারি অর্থায়নে একটি সান বাঁধানো ঘাট নির্মাণ করা হয়। ঘাটটি নির্মাণের পর সেখানে ইউপি সদস্যের পক্ষ থেকে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে মসজিদের মুসল্লিদের অযু ও পানির ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় মুসল্লিরা আরও অভিযোগ করেন, মসজিদের অযুখানা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে নামাজের আগে অযু করতে তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত অযুখানা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় অনেক মুসল্লী হতবাক ও ক্ষুব্ধ।
একজন স্থানীয় মুসল্লি বলেন, “মসজিদে নামাজ পড়তে এসে অযু করার জায়গা ব্যবহার করতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।”
স্থানীয়দের প্রশ্ন, মুসল্লিদের সুবিধার্থে সরকারি অর্থে নির্মিত ঘাটে কেন কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হলো এবং মসজিদের অযুখানা কেন বন্ধ করা হয়েছে—এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. সুমন মিয়ার বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে।
স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে মসজিদের অযুখানা ও ঘাট মুসল্লিদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।