নওগাঁর রাণীনগরে কুখ্যাত গরু চোরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাটোরের সিংড়া থেকে উদ্ধার করা পাঁচটি গরু এক মাসের বেশি সময় ধরে রাণীনগর থানা প্রাঙ্গণে লালন-পালন করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি গরু সম্প্রতি একটি এঁড়ে বাছুরের জন্ম দেওয়ায় বর্তমানে বাছুরসহ মোট ছয়টি গরু রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ জুলাই র্যাবের সহযোগিতায় নাটোরের নলডাঙ্গা এলাকা থেকে নওগাঁর আসলাম নামে এক গরু চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ জুলাই ভোরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ছোট চৌগ্রামে অভিযান চালিয়ে অসিত নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে তার গোয়ালঘর থেকে পাঁচটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়। গরুগুলোর মধ্যে একটি ছিল গর্ভবতী।
প্রকৃত মালিকের সন্ধান না পাওয়ায় আদালতের নির্দেশে গরুগুলো থানায় রাখা হয়। চুক্তিভিত্তিক একজনের মাধ্যমে এগুলোর দেখভাল করা হচ্ছে।
পরবর্তীতে নওগাঁর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-১-এর ২৭ আগস্টের নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে ৩০ আগস্ট বিকেল ৩ টায় রাণীনগর থানা চত্বরে বাছুরসহ ছয়টি গরু প্রকাশ্য নিলামে বিক্রির তারিখ নির্ধারণ করা হয়। নিলামে অংশ নিতে পাঁচ হাজার টাকা জামানত ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দেওয়ার শর্তও দেওয়া হয়েছিল।
তবে নিলামের আগেই পপি রাণী হালদার নামে এক নারী নিলাম স্থগিত চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। আবেদনটি বিচারাধীন থাকায় ৩০ আগস্ট আদালতের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে নিলাম কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত গরুগুলোর নিলাম অনুষ্ঠিত হবে না।