চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন নতুন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) গৌতম কুমার বিশ্বাস। সাধারণ মানুষকে হয়রানি কিংবা চাঁদা দাবির ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলেও তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
গতকাল জেলায় অপরাধ দমন ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংক্রান্ত এক সভায় পুলিশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি এই সতর্কবার্তা প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, নাচোল, গোমস্তাপুর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট—এই পাঁচ থানায় সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে অহেতুক হয়রানির শিকার হলে কিংবা কোনো পুলিশ সদস্য অনিয়ম বা চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হলে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
এসপি গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন:
"পুলিশের প্রধান কাজ জনগণকে সেবা দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। সেখানে কোনো পুলিশ সদস্য যদি নিজে অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তবে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। থানায় সেবা নিতে আসা কোনো নাগরিক যেন কোনোভাবেই অহেতুক হয়রানি বা হয়রানিমূলক পরিস্থিতির মুখে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
সংবাদের মূল বিষয়বস্তু:
অপরাধ দমনে কঠোরতা: চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিক কঠোর অবস্থানে থাকবে। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
তথ্যদাতার সুরক্ষা: সাধারণ মানুষকে যেকোনো অনিয়ম, হয়রানি বা চাঁদাবাজির তথ্য নির্ভয়ে সরাসরি পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। তথ্যপ্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে অপরাধমুক্ত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে জেলা পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।