রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
রেসিডেন্সিয়াল ছাত্র ফারহান কে তার শিক্ষক ছাত্র শিবিরের আবির নিয়ে যায়: ফারহানকে লাশ বানায়
যেই লাশকে ব্যবহার করে আরবান মিডল ক্লাস ও এলিট শ্রেনীকে জুলাইতে রাস্তায় নামিয়েছিলো, জামায়াত - এজেন্সী - ডিপস্টেইট ও গুপ্ত আর্মির কর্মকর্তারা -
রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের ফারহান ফাইয়াজকে নিয়ে এখন আলোচনা হয় না কেন? কারন ফারহান আবু সাঈদের মতো শিবিরের তৈরী করা প্রোডাক্ট না।
আসল কারণটা হলো রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের মেধাবী ছাত্র ফারহান ফাইয়াজকে টিউশনি পড়াতো ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রশিবিরের সাহিত্য সম্পাদক আবির হোসাইন।
ফারহানের পরিবার জানতো না তার শিক্ষক সরাসরি শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত। সেদিন সকালে ফারহানকে বাসা থেকে কল দিয়ে ঘুরতে বের হবে বলে আন্দোলনে নিয়ে যায় আবির। তারপর মারা যায় ফারহান। কিন্তু আদৌ ফারহানের লাশ ময়নাতদন্ত করা হয়নাই। কোন আর্মস থেকে কার গুলিতে ফারহান নিহত হইসে সেটা নিশ্চিত করেনি। এদিকে বিচার করতেছে আইসিটিতে।
ফারহান কে যে তার শিক্ষক আবির আন্দোলনে নিয়ে যায় এটি জাতীয় মিডিয়া গুলোও নিউজ করছে।
আরেকটি কারণ ফারহান ফাইয়াজের পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আওয়ামীলীগের মন্ত্রী নসরুল হামিদ খান বিপুর খালাতো বোনের ছেলে ফারহান।
এভাবেই মার্কিন নীলনকশা বাস্তবায়ন করেছিলো শিবির। কারন ফারহানের লাশটা তাদের দরকার ছিল আন্দোলন চাঙ্গা করতে। না হয় আরবান মিডলক্লাস কে উত্তেজিত করা সহজ হচ্ছিলোনা।
আর শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির ফলে ফারহান ফাইয়াজ সহ অসংখ্য নিরপরাধ ছাত্রের প্রান ঝড়েছে। একটা অরাজনৈতিক ছাত্র সে না বোঝে রাজনীতি, না বোঝে কোটা। কিন্তু তাকে ফুসলিয়ে আন্দোলনে নিয়ে চলে গেছে।
শিবির এর গুপ্ত পোলাপান বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করে। এইভাবে আরো বহু অরাজনৈতিক পোলাপান কে ফুসলিয়ে আন্দোলনে নিয়ে গেছে তারা।
এ-মাটিতে একদিন সবকিছুর বিচার হবে। শিবিরের আবির হোসাইন এর বিচার ও একদিন হবে। কারন আগে ছিল গুপ্ত এখন সব খোলাসা। পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। সেদিন ফারহান ফাইয়াজের বাবা-মাও আদালতে সাক্ষী দিবে ইনশাআল্লাহ।
M.a. Kashem ·
জুলাই মানেই ষড়যন্ত্র,
জুলাই মানেই পুলিশ হত্যা
জুলাই মানেই মেটিকুলাস ডিজাইনে সাধারণ জনগনকে হত্যা।
জুলাই মানেই দেশ ধ্বংস।
Shakhawat Hossain's Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।