নকল ও ভেজাল পণ্য, অনুমোদনহীন চিকিৎসা কার্যক্রম এবং অনিরাপদ খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে শরীয়তপুরে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট উপজেলায় পৃথক চারটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নে পিকআপভর্তি নকল পণ্য আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় নকল পণ্য সরবরাহকারী চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। নকল পণ্য সংক্রান্ত অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪১ ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলোরা ইয়াসমিন। অভিযানে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, শরীয়তপুরের সহকারী পরিচালকসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অন্যদিকে, একই দিনে গোসাইরহাট উপজেলার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় জান্নাত আই কেয়ার সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অভিযোগ ওঠে, কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি অর্জন না করেই এক ব্যক্তি চোখের রোগী দেখছিলেন এবং প্রেসক্রিপশন প্রদান করছিলেন।
এ ঘটনায় বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২৯(২) ধারায় ওই ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নকল-ভেজাল পণ্য, অনিরাপদ খাদ্য এবং অনুমোদনহীন চিকিৎসা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।