সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

রাজাপালং ইউনিয়ন বিভক্তিকরণ: উখিয়ায় সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, নতুন ইউনিয়ন ‘উয়ালাপালং’

Author
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ pm
রাজাপালং ইউনিয়ন বিভক্তিকরণ: উখিয়ায় সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, নতুন ইউনিয়ন ‘উয়ালাপালং’

মোঃ গিয়াস উদ্দিন: উখিয়া।

উখিয়া উপজেলা অডিটরিয়াম মিলনায়তনে আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজাপালং ইউনিয়নকে বিভক্ত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন আরেকটি ইউনিয়নের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাজাপালং ইউনিয়নকে বিভক্তকরণের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৯ জুলাই, ২০২৬) বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে উখিয়া উপজেলা অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজাপালং ইউনিয়ন বিভক্তিকরণের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সভায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। উপস্থিত সকলের দীর্ঘ আলোচনা ও পরষ্পর সম্মতির ভিত্তিতে ইউনিয়নটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীহ হয়। এর মধ্যে মূল অংশের নাম ‘রাজাপালং’ বহাল থাকবে এবং বিভক্ত হওয়া নতুন অংশের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘উয়ালাপালং’ ইউনিয়ন।

উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন আক্তার। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইউনিয়ন বিভক্তিকরণ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত দেখা যায়। রাজাপালং ইউনিয়নের এই ঐতিহাসিক বিভক্তি ও সীমানা নির্ধারণী সভায় উখিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সারোয়ার জাহান চৌধুরী, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব সুলতান মাহমুদ চৌধুরী এবং জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

সভায় বক্তারা বলেন, রাজাপালং ইউনিয়নের আয়তন ও জনসংখ্যা বিপুল হওয়ায় সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা প্রাপ্তি সহজ করতে এই বিভক্তিকরণ অত্যন্ত জরুরি ছিল।

নতুন ‘উয়ালাপালং’ ইউনিয়ন গঠিত হলে এই অঞ্চলের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান হবে এবং তৃণমূলের মানুষ দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পাবে। অনেকে আবার ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাদের মতে ইউনিয়ন বিভাজন না করেও উখিয়াকে একটা পৌরসভায় রূপান্তর রূপান্তর জয় করা যায় কিনা তা বিবেচনা করার আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।সন্ধ্যা থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিন্ন মতামত প্রকাশিত হলেও অধিকাংশই দুইটি ইউনিয়ন বিভক্ত হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!