মণিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধিঃ-
মণিরামপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার শামসুজ্জামান মিলনকে সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বদলির দাবিতে ১৬ আগষ্ট রবিবার
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করছেন অত্র অফিসের দলিল লেখকেরা।
শামসুজ্জামান মিলন ২০১৯ সাল থেকে ২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনিরামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মোহরার পদে কর্মরত ছিলেন। তখনও দলিলের দাতা, গ্রহীতা ও দলিল লেখকদের সঙ্গে দলিল রেজিস্ট্রেশন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছিলো।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যশোর জেলা রেজিস্ট্রার ২০২১ সালের স্মারক নম্বর ৫৫২ এর মাধ্যমে মহাপরিদর্শক নিবন্ধন এর কাছে তাকে বদলীর বিষয়ে মতামত প্রদান করেন।পরবর্তীতে মহা পরিদর্শক নিবন্ধনের স্মারক নং -১০.০২.০০০০.০১.১৯.১৭.২১-১৯৪ তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ এর মাধ্যমে তাকে বাঘারপাড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে বদলী করা হয়।
পরবর্তীতে তিনি বাঘারপাড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দায়িত্ব পালন করেন আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।দলিল লেখকদের দাবি শামসুজ্জামান মিলনকে মণিরামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বদলি না করার ২০২৫ সালের ১৫ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছিলো।কিন্তুু মণিরামপুরে তিনি আবারও বদলি হয়ে আসেন।আসার পর থেকে
আবারও সেই পূর্বের আচরণ শুরু করে।পরবর্তীতে আনুমানিক তিন মাস আগে অত্র অফিসের দলিল লেখকেরা তাহাকে বদলির জন্য লেখকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় কিন্তু শামসুজ্জামান মিলন পরবর্তীতে আর এমন আচরণ করবে না কেমন মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়ে অত্র অফিসে কর্মরত থেকে যান।কিন্তু কিছুদিন যেতেই আবারও সেই পূর্বের মত অসৌজন্যমূলক ব্যবহার শুরু করেন।
দলিল লেখকদের দাবি, শামছুজ্জামান মিলনকে মণিরামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পুনরায় বদলি না করার জন্য তারা ২০২৫ সালের ১৫ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন। তারপরও তিনি মণিরামপুরে বদলী হয়ে এসেছেন। আসার পর থেকে আগের মতই দাতা, গ্রহীতা ও দলিল লেখকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরন করছেন বলে অভিযোগ করেন দলিল লেখকেরা।
শামসুজ্জামান মিলনকে বদলি করা না হলে মণিরামপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত দলিল লেখকেরা দলিল লেখা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিবেন বলে আবেদনের উল্লেখ করা হয়েছে।
দলিল লেখকরা মণিরামপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও জনসাধারণের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে মোহরার শামসুজ্জামান মিলনকে অন্যত্র বদলির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে মোহরার শামসুজ্জামান মিলনের কাছে জানলে তিনি বলেন,আমি এখনও অভিযোগ পত্র দেখি নাই, সেহেতু আমি কিছুই বলতে পারছি না।তবে আমাকে বদলীর জন্যে আবেদন করেছে সেটা আমি শুনেছি।অসৌজন্যমূলক আচরনের বিষয়ে তিনি বলেন,আমি এখানে আসার পর থেকে কারও সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করি নাই।
উল্লেখ্য যে, এর আগেও শার্শা সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ঝিকরগাছা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে মোহরার শামসুজ্জামান মিলনকে বদলি না করার জন্য জেলা রেজিষ্ট্রারকে ঝিকরগাছা উপজেলার দলিল লেখকগণ চিঠি দিয়েছিলেন।