নওগাঁর রাণীনগরে উপজেলা পরিদর্শন কক্ষের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলায়তন কক্ষে আয়োজিত এই স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য এস.এম. রেজাউল ইসলাম রেজু (এমপি)।
রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুল হাসান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিলা ইয়াসমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ মোস্তাকিমা খাতুন ও থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি জাকারিয়া মন্ডল।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, রাণীনগর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেন, রাণীনগর উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি মকলেছুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রফেসর জাকির হোসেন ও রুকুনুজ্জামান রুকু। রাণীনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন খান লুলু ও আব্দুর রাজ্জাক। রাণীনগর উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাউল হক লিটন ও সাখাওয়াত হোসেন।রাণীনগর উপজেলা সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলফারুক জেমস, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোজাক্কির হোসেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম জেমস ও যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজ এ আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মতিউর রহমান উজ্জল, সদস্য সচিব মাহামুদ হাসান বেলাল ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশিক মাহমুদ।
ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শিমুল, শ্রমিক দলের সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন টনি, মহিলা দলের সভানেত্রী ফাইমা বেগমসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এস.এম. রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, রাণীনগরের মানুষের ভোটে আমি নির্বাচিত হয়েছি, তাই জনগণের উন্নয়ন ও সুরক্ষাই আমার মূল লক্ষ্য। আজ থেকে যেহেতু উপজেযলায় আমার বসার একটি নির্দিষ্ট জায়গা হয়ে গেল আগামী দিনগুলিতে সপ্তাহে দুই দিন আপনারা আমাকে এখানে পাবেন। এসময় তিনি সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষে প্রাথমিকভাবে প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে একটি করে মসজিদ, একটি করে মন্দির এবং একটি করে গির্জার তালিকা তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আপনাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ রইল আপনারা এসব ছেড়ে দিয়ে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন। তিনি আরও বলেন মাদকসেবী এবং মাদক বিক্রেতাদের পক্ষে আমার কোনো সুপারিশ থাকবে না ।
আলোচনা সভা শেষে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এবং উপজেলার বিভিন্ন অসুস্থ ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার জন্য তাদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সর্বমোট ১,৬৫,০০০ (এক লাখ পঁয়ষট্টি হাজার) টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।