মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

মণিরামপুরে বৃদ্ধা ফাতেমার শেষ ঠিকানা কুড়ে ঘর, এক মুঠো খাবার আর নিরাপদ আশ্রয়ের আকুতি।

মোঃ জাহিদুর রহমান
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০০ pm
মণিরামপুরে বৃদ্ধা ফাতেমার শেষ ঠিকানা কুড়ে ঘর, এক মুঠো খাবার আর নিরাপদ আশ্রয়ের আকুতি।

মনিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধিঃ-

যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ১৫নং কুলটিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পদ্মনাথপুর গ্রামের মৃত মুনতাজ আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৯০) দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ কুড়ে ঘরে বসবাস করেন।এই গ্রামের ফাতেমা বেগমের ভাগ্যে শুধুমাত্র এ পর্যন্ত বয়স্ক ভাতার সুবিধা পেয়েছেন।

আনুমানিক ৯০ বছর বয়সের বৃদ্ধার একেকটি দিন কাটে যেন চরম দুঃখ দুর্দশায়। কখনো খেয়ে বা না খেয়ে কাটছে তার দিন। জীবনের এই শেষ বেলায় না খেয়ে দিন পার করলেও ভিক্ষা বৃত্তির পথ বেছে নেন নাই, এখন তার একমাত্র ভরসা সরকার ও সৃষ্টিকর্তা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে একটি কুড়ে ঘরে থাকেন ও রান্না করেন। চারি দিকে বাঁশের ছটার বেড়া ও পলিথিন দিয়ে ঘেরা একটি ঘর।বর্তমানে ঘরটির চারিদিকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে এর কারণে আরও বিপাকে পড়ে দূর্বিষহ ভাবে জীবন যাপন করছেন এই বৃদ্ধা ফাতেমা বেগম।

৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল মোড়ল বলেন, তিনি খুবই অসহায় তার দেখাশোনার করার মত অন্য কোন সদস্য তার পরিবারে নাই। তার স্বামী দুই বছর আগে মারা গেছেন।সরকারি যে কোন সহযোগিতা আসলে সেটা তাকে দিয়ে থাকি।তিনি প্রকৃতপক্ষে অসহায় ঈদের সময় সরকারি সহযোগিতা যতটুকু বরাদ্দ আসে ততটুকুই তিনি পান তার বেশি আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না।

কয়েকজন প্রতিবেশি বলেন, ফাতেমা বেগম এর মত অসহায় হতদরিদ্র আর কেউ নেই।এই রকম মানুষ যদি সাহায্য সহযোগিতা না পায়, তাহলে কে পাবে?

সকাল হলে জীবন জীবিকার জন্য বের হয় পরের বাড়িতে কাজ করে, কিন্তু তিনি ভিক্ষা করেন না।তার এ বয়সে কাজ করে খাওয়ার মত অবস্থা এখন আর নাই।বর্তমানে বয়স্ক ভাতা ছাড়া তেমন কোন সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন না ফাতেমা বেগম।জীবনের শেষ সময়ে একটি নিরাপদ ঘর নিয়মিত খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য তিনি তাকিয়ে আছেন সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের দিকে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!