রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম অপরাধ অর্থনীতি আইন-আদালত আন্তর্জাতিক খেলাধুলা গণমাধ্যম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিনোদন রাজনীতি শিক্ষা সারাবাংলা

পঞ্চগড়ে ধানক্ষেতে নারীর মৃত্যুর কারণ উন্মোচন পরকিয়া প্রেমিক গ্রেপ্তার

নিতিশ চন্দ্র বর্মন
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ pm
৪
পঞ্চগড়ে ধানক্ষেতে নারীর মৃত্যুর কারণ উন্মোচন পরকিয়া প্রেমিক গ্রেপ্তার
পঞ্চগড়ে ধানক্ষেতে নারীর মৃত্যুর কারণ উন্মোচন পরকিয়া প্রেমিক গ্রেপ্তার

পঞ্চগড়ে ধানক্ষেতে নারীর মৃত্যুর কারণ উন্মোচন পরকিয়া প্রেমিক গ্রেপ্তার

নিতিশ চন্দ্র বর্মন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে নুরবানু ওরফে হাসিনা (৫০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাহাবুল হক (৩২) নামে ওই নারীর পরকিয়া প্রেমিককে শনিবার ভোরে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় জেলা পুলিশ। নিহত নুরবানু ওরফে হাসিনা দেবীগঞ্জ উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের মধ্যপাড়া বালাপাড়া বাজার এলাকার নুর রশিদের স্ত্রী। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির অদূরের এক ধানক্ষেতে ওই নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে থেকে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে দেবীগঞ্জ থানায় মামলা করে ওই নারীর ছেলে। মামলার পর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গোয়েন্দা পুলিশ ওই নারীর পরকিয়া প্রেমিক মাহাবুলকে দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। আসামীর দেয়া জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মাহাবুল মাহিন্দ্র গাড়ির চালক এবং নাসিনার প্রতিবেশী। পাঁচ ছয় মাস ধরে তাদের মধ্যে পরকিয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে হাসিনা মোবাইল ফোনে মাহাবুলকে ফোন করে ধানক্ষেতের ওই স্থানে আসতে বলে। সেখানে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জমির আলের ওপর তোলার সময় তার ঘাড় ভেঙে যায়। মারা যান হাসিনা। পরে মাহাবুল তার মোবাইল ফোন থেকে নিজের করা কলের নম্বর মুছে দিয়ে ফোনটি ওই নারীর পোশাকের পকেটে রেখে বাড়িতে চলে যান। সকালে একাধিকবার ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দেখেও আসে মাহাবুল। পঞ্চগড় গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা আবু হোসেন বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় আমরা ১২ ঘন্টার মধ্যেই এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে মূল আসামীকে গ্রেপ্তার করেছি। আসামী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের মধ্যে পরকিয়ার সম্পর্ক ছিলো। ওই নারীর কিভাবে মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Viewer Image
×
লিংক কপি করা হয়েছে!