গুজব বনাম বাস্তবতা: জৈনা বাজারের ‘নোয়াখালী হোটেল’ এর মাংস নিয়ে আসল সত্য
শাহ্ পরান শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি
শ্রীপুরের মাওনা জৈনা বাজারের অন্যতম পরিচিত খাবারের প্রতিষ্ঠান ‘নোয়াখালী হোটেল’-এর বিরুদ্ধে সম্প্রতি ফেসবুকে মৃত গরুর মাংস বিক্রির একটি অভিযোগ তুলে কিছু পোস্ট করা হয়েছে। একজন সচেতন নাগরিক একতরফা তথ্যে কান না দিয়ে সরাসরি হোটেলের বর্তমান মালিক আমানউল্লাহ ভাইয়ের সাথে কথা বলে আসল সত্যটি তুলে ধরছি।
প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাংস নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তিটি মূলত পরিবহনের ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়েছে। কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই ফেসবুকে এটি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
গরুটি সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় বাটাজোর বাজারে বহু মানুষের উপস্থিতিতে এবং বাজারের ইজারাদারের সামনেই নিয়ম মেনে জবাই করা হয়েছিল।
গরু ক্রয়ের রিসিট থেকে শুরু করে যাবতীয় সব বৈধ প্রমাণ হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে।
বাটাজোর বাজারে জবাই করার পর মাংস ট্রাকে করে জৈনা বাজারের হোটেলে আনা হয়েছিল। মাংস ট্রাকে করে বহন করতে দেখে দূর থেকে কিছু মানুষ ভুল ধারণা করেন এবং পরবর্তীতে তা ফেসবুকে নেতিবাচকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
একটি প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার সততা এবং গ্রাহকদের ভালোবাসা। হোটেল মালিক পক্ষ অত্যন্ত বিনয়ী এবং দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা করছেন। দৈনন্দিন পরিচালনায় ছোটখাটো ভুলত্রুটি প্রতিটি হোটেলেই হতে পারে, এটা বাস্তব। তবে মৃত গরুর মাংস বিক্রির মতো কোনো জঘন্য ঘটনা এখানে ঘটেনি বলেই প্রমাণ পাওয়া যায়।
তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো সত্যতা যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
