মনিরামপুরে বিভিন্ন দোকানে শিশুদের লোভনীয় অস্বাস্হ্যকর খাদ্য প্রকাশ্যে বিক্রি।
মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন দোকানে দৃষ্টিনন্দন প্যাকেটে শিশুদের লোভনীয় অস্বাস্হ্যকর খাদ্য প্রকাশ্যে বিক্রি করছে দোকান মালিকেরা।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র চোখে পড়ে।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এসব পন্য নিয়মিত দোকান গুলোতে পৌছায়ে দিচ্ছে।এসব পন্যের বেশিরভাগই স্বাস্হ্যকর কি না সেটার মান এখনও বোঝা যায় না।এসব খাবার খেয়ে স্বাস্হ্য ঝুকিতে আছে উপজেলার শিশুরা।
উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়নের প্রত্যান্ত অঞ্চলগুলোয় দেখা গেছে, চা দোকান থেকে শুরু বিভিন্ন স্টলগুলোতে সাজানো শিশুখাদ্য বিক্রিতে মানা হচ্ছে না কোনো নিয়মনীতি। দোকানগুলোতে শিশুদের পছন্দের ললিপপ, চকলেন, আচার, জুস, জেলি, পাপন ভাজা, চনপাপড়ি, ক্যান্ডি, চানাচুর, মটর ভাজা, কেকসহ হরেক রকম শিশুখাদ্য বিক্রি হচ্ছে। বাড়তি মুনাফার লোভে দোকানীরা এসব পণ্য বিক্রি করছেন। মানহীন এসব খাবার খেয়ে হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হচ্ছে শিশুদের।
উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফাইয়াজ আহমদ ফয়সাল বলেন,
নিম্নমান ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেয়ে শিশুদের পেট ব্যাথা, আমশয়, ডায়েরিয়া, কিডনীতে সমস্যাসহ ক্যান্সারের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
গ্রামঞ্চলের টং দোকানগুলোতে বিক্রি হওয়া মানহীন শিশুখাদ্যে প্রচুর ভেজাল রয়েছে। এগুলো না খেলেই ভালো।বিএসটি আইয়ের অনুমোদন ছাড়া খাদ্যে ফুড ক্যালার করা একবারেই নিষিদ্ধ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট হোসেন বলেন,
অনুমোদন ছাড়া যত্রতত্র শিশু খাদ্য বিক্রির কোনো এখতিয়ার নেই। বিএসটি আইয়ের লাইসেন্স থাকলে, সেটি অন্য কথা। কিছু দোকান মালিকেরা শিশুদের লোভে ফেলে একপ্রকার জিম্মি করছে।অভিযান চালিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযান চালিয়ে নিম্নমানের শিশুখাদ্য সামগ্রী তৈরি করা প্রতিষ্ঠান এবং বিক্রিতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।
