মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান শুরু থেকেই দেশটির জনগণের প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। ব্যাপক দমন-পীড়ন ও নিরাপত্তা বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ উপেক্ষা করে রাস্তায় নামছে মানুষ। প্রতিদিন বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। অ্যাডভোকেসি গ্রুপ অ্যাসিসট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি) জানিয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে অন্তত ২২৫ জন নিহত হয়েছে।
এদিকে মিয়ানমারের মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুস শনিবার বিশ্ব নেতাদের প্রতি এক জোরালো আবেদন রেখেছেন। ক্রমবর্ধমান সহিংসতার কারণে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তা বাহিনীর অস্ত্র এবং অর্থ পাওয়ার সুযোগ বন্ধের দাবি তুলেছেন তিনি।
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনেও গুতেরেসও মিয়ানমারের পরিস্থিতির নিন্দা জানিয়েছেন। তার মুখপাত্র বলেছেন, মিয়ানমারের সেনা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কঠোর এবং ঐক্যবদ্ধ আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার খুবই প্রয়োজন।
